আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

লাকসামে হিমাগার না থাকায় মাছ ও শাকসবজি পচে নষ্ট হচ্ছে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট: লাকসামে হিমাগার না থাকায় মানুষ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হতাশায় ভোগছেন হিমাগারের অভাবে মাছ সবজি কোথায়ও সংরক্ষণ করে রাখা যায় না ফলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা বাধ্য হয়ে মাছ শাকসবজি কম দরে বিক্রি করেন

জানা গেছে, লাকসামে এখনও হিমাগার স্থাপন হয়নি। অত্র অঞ্চলে শীতকালীন শাকসবজির বাম্পার ফলন হলেও সবজির দাম সহনীয় থাকে

শাকসবজির চাষ করে কৃষকরা স্বাবলম্বী হয়ে ওঠেন এবং লাকসাম বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করেন। শীতকালীন মৌসুমে কৃষকরা বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করেন। কেউ পানি দিচ্ছেন শাকসবজিতে আবার কেউ বাজারে বিক্রির জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিয়ে যাচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, লাকসাম অঞ্চলের পূর্ব লাকসাম উত্তর লাকসাম এলাকায় শাকসবজির উত্পাদন বেশি হয়। এবার হাজার ৮শহেক্টর জমিতে শাকসবজি চাষের উপযোগী হয়েছে। এসব উত্পাদিত শাকসবজির মধ্যে মুলা, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, পুঁইশাক, লালশাক, শসা, ঝিংগা, লাউ, সরিষা, মরিচ, আলু, পেঁয়াজ ইত্যাদি।

অত্র অঞ্চলের উত্পাদিত শাকসবজি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। এছাড়া উত্তরাঞ্চল থেকে ট্রাকবোঝাই করে শাকসবজি লাকসাম বাজারে আসে। অপর দিকে লাকসামের ডাকাতিয়া নদীসহ প্রায় শতাধিক খাল, জলাশয় এবং পুকুরের মাছ জেলে চাষীরা সংরক্ষণ করতে পারেন না।

লাকসামের মাছ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করা হয়। হিমাগার না থাকায় মাছ শাকসবজি সংরক্ষণ করা যায় না। তাতে মাছ এবং শাকসবজি বিনষ্ট হয়

একজন কৃষক জানান, তিনি বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করেন। টিএসপি সারের অভাব পোকা দমনের কীটনাশকের দাম বেশি থাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ সবজি উত্পাদন করতে পারছি না। এছাড়া আমাদের কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। আমরা অনেকেই জানি না কোন সবজির জন্য কী পরিমাণ সার ব্যবহার করতে হবে, কোন পোকার জন্য কোন কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। কী করলে সবজি উত্পাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হিমাগার। হিমাগারের অভাবে উত্পাদিত শাকসবজি সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না।

লাকসামে হিমাগার স্থাপন করা হলে মাছ শাকসবজি রাখার ব্যবস্থা করা হলে প্রায় সারা বছরই শাকসবজি মাছ পাওয়া যাবে বলে চাষীরা জানান