আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

এগিয়ে চলছে লাকসাম-চিনকি আস্তানা ডাবল লাইনের কাজ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট: ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লাকসাম থেকে চিনকি আস্তানা পর্যন্ত ডাবল লাইন নতুন মিটারগেজ রেলপথ নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে শতকরা ১৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত দ্রুত যাত্রিবাহী ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের জন্য লাকসাম থেকে চিনকি আস্তানা পর্যন্ত ৬১ কিলোটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। এই রেলপথ নির্মাণের ব্যয় হবে ১ হাজার ৫২৫ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার টাকা। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী (জাইকা) এই প্রকল্পে ৪ হাজার ৮৬৭ মিলিয়ন জাপানী ইয়েন ঋণ প্রদান করছে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, লাকসাম থেকে চিনকি আস্তানা পর্যন্ত ৬১ কিলোমিটার নতুন মিটারগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। তবে এই রেলপথে ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণেরও ব্যবস্থা থাকবে। ১১টি নতুন স্টেশন বিল্ডিং, প্লাটফরম, ফুটওভার ব্রিজ এবং যাত্রীদের যাতায়াতের সুব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া ১১টি স্টেশনে অত্যাধুনিক কম্পিউটারাইজড সিগন্যালিং ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাও থাকবে।

নতুন এই রেলপথে ট্রেন চলাচলের গতি হবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। এই রেলপথে আধুনিক প্রি-স্টেসড কংক্রিট িপার ব্যবহার করা হবে। পাথরের প্রয়োজন হবে ৮৫ হাজার কিউবিক মিটার।

এ ছাড়া এই রেলপথে ৮টি বড় সেতু, ৩৪টি কালভার্ট ও ১১টি পাইপ কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া এ্যামব্যাঙ্কমেন্ট নির্মাণের জন্য প্রায় ৭ লাখ ৪৮ হাজার কিউবিক মিটার মাটির প্রয়োজন হবে।

লাকসাম-চিনকি আস্তানা ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ারুল কবির আমাদের লাকসামকে বলেন, এই রেলপথ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ৯১০ দিনের মধ্যে এই রেলপথ নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই রেলপথ নির্মাণের কাজ শেষ হবে। এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লিয়াকত আলী জানান, রেলপথ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে সাইট বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, ফেনী ও চিনকি আস্তানা এবং ফেনী ও হাসানপুর রেল স্টেশনের মধ্যে এ্যামব্যাঙ্কমেন্ট নির্মাণের জন্য সাইট অফিস নির্মাণ ও স্টক ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে। এই রেলপথ নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং চীনের মেসার্স সিআরএম জয়েন্ট ভেঞ্চারের (সিআরএমআইই চায়না, র‌্যানকেন চায়না এ্যান্ড এমপিএল বাংলাদেশ) মধ্যে ২০১১ সালের ১৭ অক্টোবর এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।