আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

লাকসাম জংশনে আন্তঃনগর ট্রেনের আসন সঙ্কটে যাত্রীদের দুর্ভোগ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট: পূর্বাঞ্চলীয় রেলওয়ের গূরুত্বপূর্ণ ও শতবর্ষের ঐহিত্যবাহী রিমডেলিং রেলজংশন লাকসাম। এ জংশনে প্রতিদিন ট্রেন যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি আসন সংখ্যা। আসন সঙ্কটে ট্রেন যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানা যায়, লাকসাম-নোয়াখালী, লাকসাম-চাঁদপুর, লাকসাম-সিলেট, লাকসাম-চট্টগ্রাম, লাকসাম-ঢাকা, লাকসাম-ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ রিমডেলিং রেলজংশন লাকসাম। এ জংশন বিরতি করে লাকসাম-নোয়াখালী রেলপথের আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন, লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথে আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস, লাকসাম-সিলেট রেলপথে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস, পাহাড়িকা এক্সপ্রেস লাকসাম-চট্টগ্রাম, লাকসাম-ঢাকা রেলপথে আন্তঃনগর মহানগর প্রভাতী ও মহানগর গোধূলী এক্সপ্রেস ট্রেনসহ বিভিন্ন মেইল ট্রেন চলাচল করে থাকে।


বর্তমানে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোয় প্রতিদিন যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। যাত্রীরা আসন না পেয়ে অনেক সময় আসনবিহীন টিকিট নিয়ে ট্রেনে যাতায়াত করছে।

বিভিন্ন রুটে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাসের চেয়ে ট্রেন ভ্রমণে খরচ কম এবং নিরাপদ বিধায় বর্তমানে লাকসাম জংশনে ট্রেন যাত্রীর সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বেশি।

কিন্তু যাত্রীর সংখ্যা বাড়লেও এ জংশনে চাহিদামতো আসন সংখ্যা বরাদ্দ নেই। নির্দিষ্ট আসনের চেয়ে দু-তিন গুণ বেশি আসনবিহীন টিকিট বিক্রি হচ্ছে। আন্তঃনগর ট্রেনে আসন খুবই কম হওয়ায় সহজে টিকিট পাওয়া যায় না। যাত্রীরা বাধ্য হয়েই কালোবাজারিদের কাছ থেকে টিকিট কিনতে হয়।

লাকসাম অঞ্চল প্রবাসী অধ্যুষিত ও ঐহিত্যবাহী এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ রিমডেলিং রেলজংশন হলেও এখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ আসন বরাদ্দ দেয়া হয়নি। টিকিট স্বল্পতার কারণে অনেক যাত্রী ট্রেনে ভ্রমণ না করে বাসে ভ্রমণ করছেন।


রেলসূত্র জানায়, লাকসাম জংশনে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোয় প্রতিদিন ১০০-১৫০টি আসনবিহীন টিকিট বিক্রি হয়। তাছাড়া চলাচলকারী ট্রেনগুলোয় আসন ভাঙা ও ছিঁড়ে গেছে এবং হকার-অজ্ঞানপার্টির দৌরাত্ম্য বেড়েছে। টয়লেট ভালো নেই; পানি, আলো ও পাখার অভাব রয়েছে। আসনবিহীন যাত্রীরা যাতায়াতের ক্ষেত্রে এবং আসন না থাকায় যাত্রীরা হতাশ ও চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

এ ব্যাপারে একজন ট্রেনযাত্রী আমাদের লাকসামকে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ রিমডেলিং রেলজংশন হলেও এখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ আসন দেয়া হয়নি। এ জংশনে যাত্রীদের চাহিদামতো টিকিটের পরিমাণ বাড়াতে হবে। টিকিট পর্যাপ্ত পরিমাণে দেয়া হলে টিকিট কালোবাজারি হবে না। যাত্রীরা আরাম ও আনন্দায়ক ভ্রমণ করতে পারবে।

এ ব্যাপারে লাকসাম জংশন স্টেশন মাস্টার পিতু রঞ্জন ভূঁইয়া আমাদের লাকসামকে বলেন, এ জংশনে আসনের চাহিদা বেশি। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আসন বরাদ্দ বৃদ্ধি পেলে রিমডেলিং লাকসাম জংশনে যাত্রীদের টিকিট চাহিদা কমে যাবে।