আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

রমজানকে সামনে রেখে লাকসামে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে

ডেস্ক রিপোর্ট: পবিত্র রমজান শুরুর আগেই লাকসামে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সরকারিভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণহীন থাকায় একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্যের দাম নিজেদের ইচ্ছামত হাঁকিয়ে বিক্রি করছে


সরকারের দুর্বলতার সুযোগে লাকসামের কিছু পাইকারি ব্যবসায়ী গত কয়েক বছরের ব্যবধানে চাল-ডাল, চিনি, তেল, পেঁয়াজ-রসুন, হলুদ, মরিচসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায় তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। এবারও রমজানের আগেই নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল মজুত করে তারা দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ এখন চরম আকার ধারণ করেছে এবং দিশেহারা হয়ে পড়েছে

জানা গেছে, লাকসামের পাইকারি ব্যবসায়ীদের ঘরে চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল ব্যাপক মজুত থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি করে দিয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা লাকসামসহ মনোহরগঞ্জ, নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণের একাংশ, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী বাজার, চাটখিল বাজার নিয়ন্ত্রণ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পাইকারি বিক্রি করে চলেছে। গুদামে রয়েছে মালামালের ব্যাপক মজুত

বর্তমানে লাকসাম বাজারে খুচরা চাল প্রতি কেজি পারি ৩২ টাকা, মিনিকেট ৪২, চিনি ৫৫ টাকা, মসুরডাল ১১০ টাকা, মুগডাল ১১০ টাকা, ছোলা বুট ৬৫ টাকা, মরিচের গুঁড়া কেজি ২২০ টাকা, হলুদের কেজি ২৮০ টাকা, তেল তীর লিটার ১৩৫ টাকা, সরিষার তেল লিটার ১৪০ টাকা, পেঁয়াজ ২০ টাকা, রসুন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সাধারণ ব্যবসায়ীরা আমাদের লাকসামকে জানান, বেশি দামে কিনে পরিবহন খরচসহ দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। আমরাও আগের মতো এখন কম দামে বিক্রি করতে পারছি না। বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। ঊর্ধ্বমুখী দ্রব্যের যাঁতাকলে শহর গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়েছে

বর্ষাকাল গ্রামাঞ্চলের মানুষের সাধারণত কোনো কাজ থাকে না। খেটে খাওয়া মানুষ এখন আতঙ্কিত। স্বল্প আয়ের মানুষ তাদের দুরবস্থার জন্য সরকার নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ করছে প্রতিনিয়ত। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিক হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুূর্ভোগ এখন চরম আকার ধারণ করেছে এবং তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে