আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

২’শ টাকা ব্যবস্থাপত্র ফি নিয়ে তোপের মুখে ১’শ টাকা ফেরত দিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

চন্দন সাহা স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট: [শুক্রবার, ১১ মে ০১২] লাকসামে নিজ অফিসে বসে চিকিৎসা সেবা দিয়ে রোগীর কাছ থেকে টাকা ব্যবস্থাপত্র ফি নিয়ে তোপের মুখেই টাকা ফেরত দিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ভুক্তভোগী রোগী কুমিল্লা সিভিল সার্জনসহ লাকসামের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী উপজেলার ইরুয়াইন গ্রামের দিনমজুর সিরাজ মিয়া তার চিকিৎসার জন্য ওইদিন সকালে লাকসাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন।..
এসময় হাসপাতালের কাউন্টারে টিকেট সংগ্রহ করতে গেলে, বাগান মালী কাম টিকেট বিতরণকারী আলাউল ওই রোগীকে টিকেট না দিয়ে বড় ডাক্তার দেখাবে বলে কৌশলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবুল হাসেম আনসারী কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসা শেষে তিনি রোগীর কাছ থেকে টাকা ব্যবস্থাপত্র ফি নেন। এরপর ওই রোগী স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কাসেমের কাছে গেলে, তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে ওই রোগীকে তার কাছে পাঠিয়ে দিতে বলেন। পুনরায় ওই রোগী স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে গেলে, তিনি টাকা ফেরত দেন।
এদিকে বিষয়টি জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবুল হাসেম আনসারী ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘‘ওই রোগীকে টাকা ফেরত দিয়েছি। আপনারা বললে বাকী টাকাও ফেরত দিব’’
অপরদিকে কুমিল্লার সিভিল সার্জন আবুল কালাম সিদ্দিককে বিষয়টি জানালে তিনি ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
এঘটনার পরপরই ওইদিন সকাল ১০টায় সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের বহিঃ বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ শহিদুল ইসলাম বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতাল কক্ষে প্রবেশ করেন। এসময় তার কাছে বিলম্বের কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বাড়ীতে কাজ ছিল তাই দেরী হয়েছে। এক পর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের বলেন আমি দেরী করে আসলে আপনাদের কি?
এদিকে হাসপাতালের অপর চিকিৎসক ডাঃ আশিকুর রহমানের কক্ষে গিয়ে দেখা যায় চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার ইরুয়াইন গ্রামের সেতারা বেগম (৫০), নরপাটি গ্রামের কালু মিয়া (৪০)সহ /৫জন রোগী তার সামনে দাড়িয়ে আছেন। এসময় তিনি অরবিট ফার্মাসিউটিক্যাল ঔষুধ কোম্পানীর ুজন প্রতিনিধির সাথে খোশগল্প করছেন। হাসপাতালের ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ এসব দৃশ্য প্রতিদিনের। যেন অভিভাবক বিহীন হাসপাতালে দরিদ্ররোগীরা চিকিৎসকদের নানা লাঞ্চনা বঞ্চনা স্বীকার হয়ে আরো অসুস্থ্য হয়ে পড়তে হয়। এছাড়াও ওইদিন একটি মারামারির ঘটনায় লাকসাম হাসপাতালে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা মামলা করার জন্য সনদ গ্রহণ করতে গিয়ে সহকারী সার্জন ডাঃ মনির হোসেনের শরনাপন্ন হন উত্তর লাকসাম এলাকার কামাল হোসেন। তিনি হাজার টাকার বিনিময়ে তার স্ত্রী নাসরিন আক্তারের জন্য ওই সনদটি সংগ্রহ করেন।
এদিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের ২০জন চিকিৎসকদের মধ্যে ২জন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেষনে, ৩জন ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়ে, ১জন মেডিকেল লিভে, ২জন সি.এইচ.পি ট্রেনিংয়ে। অন্যরা ইচ্ছামত হাসপাতালে আসা-যাওয়া করেন।





undefinedআমাদের লাকসামের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করি আমরা এক ঝাঁক তরুন আমরা আমাদের লেখা পড়ার পাশা পাশি অবসর সময়ের সবটাই ব্যয় করি বৃহত্তর লাকসামের উন্নয়নে আমাদের লাকসামে আপনি চাইলে আমাদের সাথে বৃহত্তর লাকসামের উন্নয়নের শরিক হতে পারেন আসুন আপনি আমরা একসাথে কাজ করে বদলে দেই আমাদের লাকসামকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে ফোন করুন : ০১৭১১৭১১৩৭৬, ০১৯১৮৭০৯৬৮৫ অথবা মেইল করুনঃ editor@amaderlaksam.comখবর পাঠাতে মেইল করুনঃ news@amaderlaksam.com