আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

সদর দক্ষিণে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রবাসীর বসতঘরে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট: [রোববার, ২০ মে ০১২] হামলা ও বসতঘর ভাংচুরের ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করায় বাদীকে প্রাননাশের হুমকি দিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যানসহ মামলার ২ আসামী। এ বিষয়ে মামলার বাদী কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সাধারন ডায়েরী করেছেন।
মামলা ও জিডির বিবরনে জানা যায়, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পেরুল উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আলীগের সহ-সভাপতি আবুল হাসেম মজুমদার ও তার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা কিছুদিন ধরে একই ইউনিয়নের ভোরা গ্রামের প্রবাসী আবুল কাশেমের নিজ দখলীয় ও মালিকানা তফসিলভুক্ত সম্পত্তি দখল চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। আবুল কাশেম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ১৪ই মে সকাল সাড়ে ৯টায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মজুমদারের নেতৃত্বে দেশীয় তৈরি অস্ত্রে সজ্জিত একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী ওই বসত ঘরে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা একটি টিনসেড ঘর ভাংচুর করে এবং ঘরে থাকা লোকজনকে বেদম মারধর করে উচ্ছেদ করে দেয়।..
ঘটনায় বসত ঘরের মালিক আবুল কাশেম বাদী হয়ে ১৭ই মে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ০১, কুমিল্লা -এর আদালতে দঃবিঃ ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৪২৭/৩৭৯/৩৮৫/৫০৬()/৩৫৪ ধারায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মজুমদারকে প্রধান আসামী করে এজাহারভুক্ত ১৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা / জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা (সিআর-৬১৫/১২) দায়ের করেন মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন- উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের পূর্বজগতপুর গ্রামের রতন বনিক, বাবুল মিয়া, মাসুদ মিয়া, সেকান্দর বনিক, জয়নাল, ভুট্টু, শাকিল, নুপুর বনিক, ফারুক, জয়নাল আবদীন, ফারুক মিয়া, কাঁকসার গ্রামের জাফর মিয়া, বাকই গ্রামের মানিক মিয়া এরপর ১৮ই মে বিকাল অনুমান ৩টায় মামলার প্রধান আসামী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মজুমদারসহ জন বাদীর বাড়ীতে গিয়ে আদালতে মামলা করায় বাদী তার সন্তানদের প্রাননাশের হুমকি দেয় বিষয়ে মামলার বাদী আবুল কাশেম ভবিষ্যতে ক্ষতি সাধনের আশংকায় হুমকিদাতার বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সাধারন ডায়েরী (৮৯৪,তারিখ-১৮/০৫/২০১২ই) করেন
বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মজুমদার জানান, ‘ওই প্রবাসীর বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি নিজে এবং স্থানীয় মেম্বার সরেজমিন তদন্তে গিয়ে দেখতে পাই সে অন্যের জায়গায় একটি ঘর নির্মাণ করেছে। অবৈধভাবে অন্যের টাকা-পয়সা নেয়ার একাধিক অভিযোগ সত্ত্বেও সে আইন অমান্য করে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় সরকারকে অবজ্ঞা করে। শুনেছি সে উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। বিধি মোতাবেক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কে বা কারা তার ঘরে হামলা, ভাংচুর করেছে -তা আমার জানা নেই তিনি জানান, ‘আমি শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিবদমান দুপক্ষের মাঝে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিমাত্র