আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

স্থানীয় প্রশাসনের সহাযোগীতায় বাঙ্গড্ডায় পেনসিডিল ব্যবসা জমজমাট

স্পেশাল করেসপন্ডেন্টঃ [সোমবার, ০৭ মে ০১২] নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা বাজার একটি জনপ্রিয় জনপদের নাম নাঙ্গলকোট উপজেলা সদর থেকে কিলোমিটার উত্তরে, লাকসাম থেকে কিলোমিটার পূর্বে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা থেকে কিলোমিটার পশ্চিমে এবং কুমিল্লা বিশ্বরোড থেকে ১১ কিলোমিটার দক্ষিণে এই বাঙ্গড্ডা বাজারটি অবস্থিত ব্যাংক, শিল্প কারখানা, এনজিও প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ বহু প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই বাজারে। চৌদ্দগ্রাম সীমান্তের অতি নিকটে বাজারটি অবস্থিত হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত ভারত থেকে অবৈধ পথে এই বাজারে মাদক দ্রব্য (পেনসিডিল, চ্যালেঞ্জার, ইয়াবা) গুড়দুধ, কাপড়, মসলা, মোটরসাইকেল, সাইকেল, রিকসা এবং সি এন জি প্রবেশ করে।..
এই বাজারে কয়েকটি চক্র আলাদা আলাদা ভাবে এই সিন্ডিকেটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে
বাঙ্গড্ডার মফিজুর রহমানের ছেলে সোহাগ ওরপে ইয়াবা সোহাগ, আতিকুর রহমান, এয়াকুর আলীর ছেলে একরামুল হক দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের ওপেন সহযোগীতায় প্রকাশ্যে যুব সমাজ ধ্বংসকারী এই সব নেশা জাতীয় মাদক দ্রব্য বিক্রি করে আসছে। উল্লেখ্য বাঙ্গড্ডা বাজারের বিভিন্ন দোকানে ওপেন ভাবে ভারতীয় বিভিন্ন রকমের শাড়ী এবং কাপড় বিক্রি হচ্ছে। উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এহেন কর্মকান্ডের অভিযোগে নাঙ্গলকোট এবং চৌদ্দগ্রাম থানায় একাধিক মামলা রয়েছে
বিষয়ে স্থানীয় বাজারের অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন নাঙ্গলকোট থানার এক এস আই  প্রতি সপ্তাহে সন্ধায় মোটর সাইকেল নিয়ে আসে নিজে ডিংকস করে এবং ওদের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ অর্থাৎ  সু-দৃষ্টি থাকার কারণে কেউ এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। যার ফলশ্রতিতে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় কোমলমতি, স্কুল কলেজের ছাত্ররা, যুব সমাজ
সরজমিন তদন্ত কালে দেখা যায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাশে পারিপারিক স্বাস্থ্য ক্লিনিকের পিছনে, বাজারের ভিতরে উঠতি বয়সের যুব সমাজ, সি এন জি ড্রাইভার, রিকসার ড্রাইভাকে নেশা পানরত অবস্থায় দেখা যায় বিষয়ে  বাজার কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ সবচেয়ে বেশী টাকা আয় করে এই বাঙ্গড্ডা বাজার থেকে

উল্লেখ্য মাষ্টার আবদুর কুদ্দুস এর কিন্ডার গার্ডেনের পাশ থেকে ৪০ বোতল পেনসিডিল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে টহল পুলিশ। সম্প্রতি ্যাব- ১১ আতিকের বাড়ী থেকে কেজি গাজা এবং বিপুল পরিমান মদের বোতল উদ্ধার করে। তবে সময় আতিককে পাওয়া যায় নি

দীর্ঘ দিন থেকে এই অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার করণে স্থানীয় জন সাধারণ বিশেষ করে ভোক্তাভোগি পরিবারের সদস্যরা প্রশাসনের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এবং এই সব কর্মকান্ড বন্ধে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তাক্ষেপ কামনা করেন

বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ প্রশান্ত পাল এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার  নলেজে আছে। অচিরেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে




আমাদের লাকসামের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করি আমরা এক ঝাঁক তরুন আমরা আমাদের লেখা পড়ার পাশা পাশি অবসর সময়ের সবটাই ব্যয় করি বৃহত্তর লাকসামের উন্নয়নে আমাদের লাকসামে আপনি চাইলে আমাদের সাথে বৃহত্তর লাকসামের উন্নয়নের শরিক হতে পারেন আসুন আপনি আমরা একসাথে কাজ করে বদলে দেই আমাদের লাকসামকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে ফোন করুন : ০১৭১১৭১১৩৭৬, ০১৯১৮৭০৯৬৮৫ অথবা মেইল করুনঃ editor@amaderlaksam.comখবর পাঠাতে মেইল করুনঃ news@amaderlaksam.com