আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথের নাজুক অবস্থা

বিশেষ প্রতিবেদন: [মঙ্গলবার, ০৩ এপ্রিল ০১২] লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথের অবস্থা নাজুক ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে এবং যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথ
জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে পূর্বাঞ্চলীয় জোনে সর্বপ্রথম লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথটি স্থাপন করা হয়েছিল পরে এটিকে সম্প্রসারণ করে সিলেট অঞ্চল হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গোহাটি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হয় এরপর লাকসাম-চট্টগ্রাম-নোয়াখালী-আখাউড়া অঞ্চলে রেলপথটি সম্প্রসারণ করা হয় এবং চাঁদপুর-লাকসাম-সিলেট অঞ্চল হয়ে আসামের..
গোহাটি পর্যন্ত রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথ দিয়ে ট্রেন চলাচল করছে লাকসাম-চাঁদপুর লাইনের ব্যবহার করা প্রস্তুতকৃত রেলের পাত ১৯৩০-৩৫ সালে অন্যত্র ব্যবহার করে ১৯৫৭-৬০ সালের দিকে লাইনে সংযোগ করা হয় রেলওয়ে প্রকৌশলীদের মতে, যে কোনো রেলের স্থায়িত্বকাল ৫০ বছর সে অনুযায়ী লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথের রেলগুলোর স্থায়িত্ব ১৯৭৫-৮০ সালের দিকে শেষ হয়ে গেছে ব্যবহার করা রেলগুলো ৬০ পাউন্ডের, যার ওজন শতকরা ১০ ভাগ কমে গেলে পরিবর্তন করতে হয় অথচ ওজন শতকরা ২০-২৫ ভাগে নেমে আসার পরও এগুলো দিয়েই রেলগাড়ি চলাচল করছে এসব রেল দিয়ে ভারী ইঞ্জিন কোনো অবস্থাতেই চলাচল নিরাপদ নয় পাকিস্তান আমলে নির্মিত চাঁদপুর সিএসডি গোডাউন থেকে ছায়াবাণী পর্যন্ত মালামাল আনা-নেয়ার জন্য নির্মিত ৫শগজ লাইন গাড়ি চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে লাইনের অধিকাংশ স্লিপার নষ্ট হয়ে পড়ায় এবং রেলপাতের স্থায়িত্ব কমে যাওয়ায় বারবার লাইনে ট্রেন লাইনচ্যুত হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথ সংস্কার না করা হলে যে কোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং বন্ধ হয়ে যেতে পারে লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথ অবস্থায় লাকসাম-চাঁদপুর রেললাইনের পুরনো রেলপাত পরিবর্তন করে নতুন রেলপাত সংযোগ করা একান্ত প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন



বিজ্ঞাপন মুক্ত এ ব্লগের প্রতিটি খবরে রয়েছে এক ঝাঁক মেধাবী তরুণের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ব্যবহার। তাই আমাদের খবর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাদেরকে উৎসাহিত করুন।
undefined