আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

লাকসামে বিদ্যুৎ যায়না, মাঝে মাঝে আসে! লোডশেডিংয়ে উদ্বিগ্ন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

সামিউর রহমান: [বৃহস্পতিবার, ০৫ এপ্রিল ০১২] ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে চরম বিপাকে পড়েছে লাকসাম সহ সারা দেশের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রচণ্ড গরমে রাত জেগে পড়াশুনা করতে পারছে না তারা পরীক্ষার হলেও তারা লোডশেডিং থেকে মুক্ত থাকতে পারছে না লাকসাম সহ দেশের বেশির ভাগ এলাকা লোডশেডিংয়ের শিকার হবার কারণে অভিভাবকদের রাত জেগে সন্তানের পাশে বসে বাতাস করতে হচ্ছে গরমে বিদ্যুৎহীন পরিবেশে নাভিশ্বাস উঠেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষার্থী ছাড়াও শিশু বৃদ্ধরাও পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে লাকসামের রবিউল ইসলাম বুধবার আমাদের লাকসামকে জানান, মঙ্গলবার আমার পরীক্ষার থাকায় রাত জেগে পড়াশুনা করতে হয়েছে আমার পরীক্ষার জন্য আব্বু আইপিএস কিনেছে কিন্তু তাতেও ভোগান্তি কমছে না কারণ আইপিএস চার্জ করতে যে সময়টুকু দরকার, সে সময়টুকুও বিদ্যুৎ থাকে না..
সে হতাশ হয়ে জানায়, সন্ধ্যায় যখন পড়তে বসি তখন থেকে রাত একটা পর্যন্ত না হলেও দশ থেকে পনের বার বিদ্যুৎ চলে যায় প্রতিবার বিদ্যুৎ এসে সর্বোচ্চ ৪৫ মিনিট থাকে আইপিএস চালাতে না পারায় বাধ্য হয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে গরমের মধ্যেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে আমাদের ঘুমাতে পারছি ঠিকমতো রাতে আম্মু জেগে আমাকে বাতাস করে ফলে কষ্টের শেষ থাকে না লোডশেডিংয়ের মধ্যেই ঘুমাতে যাই শুধু লাকসাম নয় সারাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রেও লোডশেডিং হচ্ছে ঘেমে-নেয়ে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের এদিকে গ্রামে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরো খারাপ বেশির ভাগ মফস্বল শহরে দিন-রাতের অধিকাংশ সময় ঘণ্টায় ঘন্টায় লোডশেডিং হচ্ছে আর রাতের বেলায় কোন একবার বিদ্যুৎ গেলে অনেক সময় আর আসে না অনেক গ্রামে একবার বিদ্যুৎ গেলে চার-পাঁচ ঘণ্টার আগে দেখা মেলে না পিডিবির ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সান্ধ্যকালীন পিক আওয়ারে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল পাঁচ হাজার ৮৭৫ মেগাওয়াট সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয় চার হাজার ৯৬০ মেগাওয়াট পিডিবি বিদ্যুৎ ঘাটতি ৮৯০ মেগাওয়াট ধরলেও বেসরকারি হিসাবে ঘাটতির পরিমাণ ছিল দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি কারণে বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি, ডেসকো, ওজোপাডিকো এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পায় পিডিবিও তাদের গ্রাহকদের চাহিদার তুলনায় বেশ কম পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে বরাদ্দ কম থাকায় বিতরণ সংস্থাগুলোর পূর্বনির্ধারিত লোডশেডিং পরিকল্পনাও এখন ঠিক রাখা যাচ্ছে না কারণে অনেক এলাকায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে ডিপিডিসির তথ্যমতে, সংস্থাটি আওতাধীন এলাকায় গত দুদিন বিদ্যুতের চাহিদা ছিল এক হাজার ৫১ মেগাওয়াট সেখানে বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে ৭৫১ মেগাওয়াট ফলে ৩০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে কারণে বিদ্যুতের যাওয়া-আসা কিছুটা বেড়েছে পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, সরকার ভর্তুকি কমাতে বলেছে তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছে পিডিবি বর্তমান লোডশেডিংয়ের অন্যতম কারণ হলো উৎপাদন কমিয়ে ফেলা



বিজ্ঞাপন মুক্ত এ ব্লগের প্রতিটি খবরে রয়েছে এক ঝাঁক মেধাবী তরুণের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ব্যবহার। তাই আমাদের খবর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাদেরকে উৎসাহিত করুন