আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

নাঙ্গলকোটের হেসাখালে স্কুল ছাত্রী অপহরণের চেষ্টা -–আটক তিন যুবক

তানভীর হাছান: [রোববার, ২২ এপ্রিল ০১২] নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী আছমা আক্তারকে অপহরন করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী তিন যুবককে আটক করে । আছমা লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের আশকামতা গ্রামের আবদুস সাত্তারের মেয়ে। গতকাল শনিবার সে পরীক্ষা দিয়ে স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে আগে থেকেই রাস্তায় উৎপেতে থাকা তিন যুবক তাকে অপহরণ করার উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক সিএনজিতে উঠায়। এ সময় আসমা তাদের সাথে দস্তাদস্তি করে এবং ‘‘আমাকে বাঁচাও’’ বলে চিৎকার দিতে থাকে।..
তার চিৎকার শুনে রাস্তায় দাঁড়ানো তার দুই সহপাঠি রুবেল সোহরাব এগিয়ে আসে এবং অপহরণকারীদের সিএনজির পিছু নেয়। কিছু দুর যাওয়ার পর গাড়ির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ার রুবেল ও সোহরাবের চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন চুটে আসে এবং অপহরনকারীদের আটক করে। আটককৃতরা হচ্ছে নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের মেরকট গ্রামের মাষ্টার আলী আকবরের ছেলে আবদুস সাত্তার, তার খালাত ভাই লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের আশকামতা গ্রামের মামুনুর রশিদ ও তার সিএন জি ড্রাইভার । অপহরনকারী গ্রুপের প্রধান আসামী আবদুস সাত্তার জানায়, গত চার মাস পূবে সে বিদেশ থেকে বাড়িতে আসে এবং বিয়ে করার জন্য পাত্রী খোঁজে । এক পর্যায়ে সে তার খালা ও খালাতো ভাই মামুনের ঘটকালীতে আছমাকে দেখে এবং তার পছন্দ হয়। কিন্তু মেয়ের পরিবার ঐ ছেলের কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তাই সে আছমাকে বিয়ে করার জন্য মামুনের সহায়তায় অপহরণের চেষ্টা করে । বিকালে হেসাখাল ইউনিয়নিয় পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহফুজুল হক মোল্লার সভাপতিত্বে সামাজিক ভাবে সালিসের মাধ্যমে ছেলে আবদুস সাত্তারের একলক্ষ বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাদের তিনজন প্রত্যেককে দশটি র্দোরা ও দশ বার করে কান ধরে উঠবস করা হয়। নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ঘঁটনাস্থল পরিদর্শন করে।

সম্পাদনা : ফারহানা ইসলাম মীম, নিউজরুম এডিটর




বিজ্ঞাপন মুক্ত এ ব্লগের প্রতিটি খবরে রয়েছে এক ঝাঁক মেধাবী তরুণ তরুণীর অক্লান্ত পরিশ্রম ও সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ব্যবহার। তাই আমাদের খবর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাদেরকে উৎসাহিত করুন।
undefined