আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

সম্পত্তি দখল: অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ : কালোবাজারি টিকেট: চোরাচালান ও মাদক ব্যবসা কুমিল্লা রেলওয়ে দুর্নীতির আখড়া

ষ্টাফরিপোর্টার: [রোববার, ১৮ মার্চ ০১২]কুমিল্লা রেলষ্টেশনের সার্বিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক রেলওয়ের সম্পত্তি দখল করে বাণিজ্যিক নির্মাণ করেছে একটি মহল তবে দেখেও না দেখার মত রেল কর্তৃপক্ষের , রেলওয়ে ফ্যাট ফরমে দোকানগুলোতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, কালোবাজারি টিকেট বিক্রি, রেলওয়ের বুকিং কাউন্টার পার্সেল কাউন্টারমাদক পাচারের বিশেষ জোন হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারীরা..
রেল পথে সারা দেশের সাথে যোগাযোগ রার কেন্দ্র স্থল কুমিল্লা রেল ষ্টেশনকে বর্তমানে ডেঞ্জার জোন হিসেবে আখ্যায়িত করা যায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সমূহের অন্যতম স্থাপনা হিসেবে পরিচিতি রেল ষ্টেশন এলাকায় বর্তমানে কোন নিয়ম শৃঙ্খলা নেই আইনের প্রয়োগ তো দুরের কথা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন নিজেরাই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে পুরো এলাকায় শুধু তাই নয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনই পুরো রেল ষ্টেশনের অভ্যন্তরে এবং বাহির এলাকায় সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকান্ডের প্রধান মদদ দাতা টিকেট কালোবাজারীরা ওপেন সিক্রেট তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে রেলওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না টিকেট সহ কালোবাজারীদের গ্রেফতার করা হলে বিশেষমতা আইনে মামলা দায়েরের বিধান রয়েছে কোতয়ালী থানায় কালোকাবাজারীদের টিকেটসহ গ্রেফতার করে বিশেষ মতা আইনে কয়েকটি মামলা করেছিলেন কিন্তু বর্তমান কর্মকর্তাদের সেই মতা নেই
রেল ষ্টেশনের প্লাট ফরমে অর্ধ শতাধিক অবৈধ দোকানের অবস্থান আরো ৩০/৩৫ জন ভ্রাম্যমান দোকানী প্লাটফরমের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বিভিন্ন প্রকার দ্রব্য বিক্রি করে এবং অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা করা হচ্ছে যার খেসরাত দিতে হয় যাত্রী সাধারণকে, হাটা চলার কোন উপায় থাকে না যাত্রীদের ক্ষেত্রেও প্লাট ফরমে অবস্থানরত যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে রেলওয়ে বিভাগে কর্মকর্তা রেলওয়ে পুলিশের কোন ভূমিকা নেই এছাড়া টিকেট কাউন্টারের সামনে বসানো হয়েছে কয়েটি ফলের দোকান যে গুলোর কোন বৈধতা নেই তদুপরি বহাল তবিয়তে রয়েছে দোকান প্লাট ফরমের বাইরে যেখানে সরকারী গাড়ী রাখার নির্ধারিত স্থান সেখানে গড়ে উঠেছে অবৈধ রিক্সা গাড়ী সরকারী সং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গাড়ী রাখার অবৈধ ষ্ট্যান্ড ইজারা দিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ
বৃহত্তর কুমিল্লার সীমান্ত পথ দিয়ে আসা অবৈধ পণ্যে বৃহত্তর কুমিল্লার রেলওয়ে ষ্টেশনগুলো এখন চোরাচালানীদের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে অপর দিকে এসব রেলওয়ে ষ্টেশনগুলোতে অপরাধীদের তৎপরতা নেশাখোর, নিশিবধূদের উৎপাত মারাত্মক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে টোকেন স্লিপের ব্যবসার সুযোগে ক্রিমিনালরা রেলওয়ে রুটগুলোকে অত্র অঞ্চলের ক্রাইম জোনে পরিনত করছে তার বদৌলতে মদদ জোগাচ্ছে বিভিন্ন রেলওয়ে ফাঁিড়ও থানার ক্যাশিয়ার নামধারী  জি আর পি পুলিশ
বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চলের  সীমান্তে রেলওয়ে স্টেশন গুলো হচ্ছে- কুমিল্লা, রসুলপুর, শশীদল, লালমাই, ময়নামতি, আখাউড়া, ইমাম বাড়ী, কসবা, মন্দবাগ, শশীদল, ফকির হাট, নাঙ্গলকোট, লাকসাম চোরা পথে আসা ভারতীয় পণ্যগুলো প্রত্যহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্রেন যোগে দেশের প্রধান প্রধান ক্রাইম সেন্টারে পাচার হচ্ছে এছাড়া বিভিন্ন দেশের তৈরী মালামাল ভারত হয়ে জেলার সীমান্ত অঞ্চলের চিহ্নিত চোরা দরজাগুলো দিয়ে প্রকাশ্যে কুমিল্লা রেলওয়ে জংশনে প্রবেশ করছে এসব অবৈধ মালামালের পিছনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত অপরাধী চক্রের গড ফাদাররা রেলওয়ে পুলিশের অর্থ প্রদানকারী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে চোরাচালানী পণ্যের মধ্যে চিনি, মরিচ, পেয়াঁজ, মসল্লা, গুড়ো দুধ, গুড়, শাড়ী কাপড়, জুতা, মাদক দ্রব্য সাইকেল, ম্যাচ আগরবাতি প্রশাধনী, যন্ত্রাংশ, ইলেকট্রনিক্স নেশা জাতীয় পণ্য অবাধে আনা হচ্ছে আবার এদেশ থেকে চোরাপথে সুতা, চামড়া, ব্যাঙ, কচ্ছপ, কাপড়, চা পাতা, সুপারী, পান, ইলিশ মাছ, সুটকি, নারিকেল, স্বর্ণ, ডলার, যন্ত্রাংশ, সারসহ  মূল্যবান সম্পদ পাচার হচ্ছে সীমান্ত অঞ্চলের বহু ক্রইম সেন্টার ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন আইটেম ক্রইম কিংদের অপরাধ তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপ এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি চরম অবনতি ঘটেছে
এছাড়া কুমিল্লা, লাকসাম, লালমাই, ময়নামতি, রাজাপুর, আখাউরা, রেলওয়ে ষ্টেশনে এক শ্রেণীর ভ্রাম্যমান পতিতার উৎপাতে যাত্রী সাধারণের মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে এছাড়াও এসব রেলওয়ে ষ্টেশনে এক শ্রেণীর নেশাখোর, পকেটমার, নেশা করে মাতলামি করতে প্রায়ই দেখা যায় অথচ দায়িত্বরত প্রশাসনের ব্যাপারে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই কুমিল্লার বিভিন্ন সীমান্তে পদ দিয়ে এসব অবৈধ্যপণ্য দেশে আসার কারনে দেশীয় উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী দিন দিন মার খাচ্ছে এছাড়া সরকারও বছরে বিপুল পরিমাণ অংকের টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং বিদেশী পণ্যের চাপের মুখে দেশীয় পণ্য চরম হুমতি হয়ে দাড়িঁয়েছে
জানা গেছে, রেল ষ্টেশনের কালোবাজারী দলের সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হল ধর্মপুরের রুবেল, রোবহান, তানজিনা ষ্টোরের জামাল, লিটন, সুমি ষ্টোরের সাব্বির, রনি-জনি ষ্টোরের রেজাউল, নাসির, ধর্মপুরের দুলাল, রবিউল নিজেকে অ্যাডভোকেট হিসেবে পরিচয়দানকারী বাবুল (তার নাম একেকবার একেকটা বলা হয়) রেল ষ্টেশনে কালোবাজারীদের এতই প্রভাব যে তাদের ভয়ে কেউ একটু টু শব্দও করতে সাহস করে না তাদের রয়েছে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সাথে মধুর সর্ম্পক প্রতিমাসে টিকিট বিক্রির লভ্যাংশের একটি অংশ টিকিট কাউন্টারের কর্মকর্তা জি.আর.পি পুলিশের পাশাপাশি এসব সন্ত্রাসীদেরকেও দেয়া হয় টিকিট কাউন্টারে কর্তব্যরত কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় / জনের কালোবাজারী দল ট্রেনের অগ্রিম টিকিট / দিন আগেই পেয়ে যায়, এরপর শুরু হয় কালোবাজারীদের যাত্রীদের ঠকানোর কাজ তারা ৪৫ টাকার টিকিট ৯০ থেকে ১০০ টাকা, ৮০ টাকার টিকিট ১৭০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করে কাউন্টার থেকে টিকিট না পেয়ে হতাশ যাত্রীরা কালোবাজারীদের মনমতো দামে তাদের কাছ থেকে টিকিট কিনছে টিকিট কাউন্টারে কর্তব্যরত অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় র্দীঘদিন ধরে চলছে কালোবাজারীদের এই যাত্রী ঠকানো কাজ টিকিট কাউন্টারে টিকিট নেই, শেষ হয়ে গেছে, বাইরে কারোও কাছে আছে কিনা দেখেন-এসব কথা বলে কালোবাজারীদের কাছে যেতে বাধ্য করে টিকিট কাউন্টারের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা
রেল ষ্টেশন সূত্র জানায়, টিকিট কাউন্টারের শাহজাহান, আব্দুল হান্নান, আব্দুল সালাম, আব্দুল খালেক সোহেল নামের কর্মকর্তারা দীর্ঘ দিন ধরে রেল ষ্টেশনের কালোবাজারীদের অগ্রিম টিকেট সরবরাহ করে আসছে, বিনিময়ে তারা কালোবাজারীদের কাছ থেকে টিকিট বিক্রি থেকে আয় করা লভ্যাংশের একটি অংশ পেয়ে থাকেন এভাবেই কালোবাজারীদের মাধ্যমে এসব কর্মকর্তা আয়ের আরেকটি বাড়তি পথ খুলে বসেছে আর এসব কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই স্থানে চাকুরি করার সুবাধে কালোবাজারীদের সাথে তাদের গড়ে উঠেছে গভীর সখ্যতা একাধিক যাত্রীদের অভিযোগ- বুকিং কাউন্টারে গিয়ে টিকেট কিনতে হলে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়, টাকা না দিলে টিকেট নেই বলে জানিয়ে দেয়া হয় কাউন্টারের কর্মকর্তারা নিজেরাই টিকেটগুলো কিনে কালোবাজারি দিয়ে কাউন্টারের বাহিরে বিক্রি করায় যাত্রীদের ধরনের হয়রানি বহু পূর্ব থেকেই ছাড়াও কাউন্টারে কর্মকর্তারা যাত্রীদের সাথে করছে প্রতিদিনই দুব্যৃবহার কাউন্টারে বুকিং কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ধরনের দুর্নীতি অনিয়ম করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়
অন্যদিকে রেলওয়ে পরিবহনে মালামালগুলো সরকারী মেশিনের সাহায্যে ওজন মাপ দিলেও এখন কোন মেশিনে তারা ব্যবহার করছে না দুটি মেশিনই দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থায় পড়ে রয়েছে বিষয়ে কেউ কোন পদপে নিচ্ছে না প্রতিদিন হাজার হাজার টন মালামাল বহন করছে কুমিল্লা রেলওয়ে কিন্তু মেশিনে না মেপে মেনেজমেন্টের মাধ্যমে ইচ্ছা মাফিক ওজন নিয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে সরকারী খাতায় কম দেয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে ফলে প্রতি কেজি মাল বহন করতে হলে ৭০ পয়সা দিতে হয় এবং ১০০ কেজি মাল বহন করতে হলে ৭০ টাকা দিতে হয় কিন্তু ১০০ কেজি মাল বহনে সরকারকে ৫০ কেজির হিসাব দেখাচ্ছেন অপরদিকে মালামাল বহন করার সময় লেবার খরচ, গার্ড খরচ অফিস খরচ সহ দিতে হয় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা প্রতিদিনই এই পার্সেল শাখা থেকে হাজার হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছে পার্সেল শাখার কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন এছাড়াও পার্সেল শাখার প্যাকেটে মাদক যাচ্ছে না অন্য কিছু যাচ্ছে তাও তারা বলতে পারছেন না একটি সূত্র জানায়- পার্সেলের নামে ফেনসিডিল, গাঁজা, রিডোক্সে সিরাপসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য পাচার করা হচ্ছে এই রেলওয়ের মাধ্যমে
এদিকে কুমিল্লার রেলওয়ে ষ্টেশনে ফ্যাট ফরমে দোকানগুলোর অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে দিন সারা দিন রাত তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তারা হচ্ছেন সুমি কনফেশনারী, সুফিয়া খাতুন, ষ্টেশনারীজ, মুসলিম টি ষ্টল, তানজিনা ষ্টোর, ভাই ভাই ষ্টোর, মাহমুদ স্ন্যাক্স ষ্টেল, রনি ষ্টোর, শাহিনুর ষ্টোর, সামিয়া ষ্টোর, হিন্দু ষ্টল, জয় জয় ষ্টোরসহ সবকটি দোকানই অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বিষয়ে রনি-জনি টি ষ্টোরের রেজাউল মিয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি তানজিনা ষ্টোরের জামাল লিটনকেও পাওয়া যায়নি
অন্যদিকে কুমিল্লা রেলওয়ের দুদিকে পরিত্যক্ত কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে ভূমিদস্যুরা ধর্মপুর, শাসনগাছা, রেলষ্টেশন বাদশা মিয়া বাজার, লালমাই, লাকসাম দৌলতগঞ্জ বাজারের রেলগেট সংলগ্ন রেললাইনের দুপাশ, দৌলতগঞ্জ রেলস্টেশন, খিলা রেলস্টেশন, নাথেরপেটুয়া রেলস্টেশন, বিপুলাসার রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে রেলওয়ের ভূমিতে দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে দখলকারীরা লাকসাম-চাঁদপুর শাখা লাইন, লাকসাম-নোয়াখালী শাখা লাইনের সহস্রাধিক কোয়ার্টারের মধ্যে বর্তমানে শতাধিক কোয়ার্টারে বসবাসরত রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গোল্ডেন হ্যান্ডসেক, চাকরি থেকে অবসর এবং অন্যত্র বদলি হওয়ায় কোয়ার্টারগুলো খালি অবস্থায় পড়ে রয়েছে রেল কর্মচারীদের সহায়তায় খালি বাসভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে অবৈধভাবে লোকজন বসবাস করছে লাকসাম জংশনের রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত লোকো কলোনি, বাজার কলোনি, জিআরপি কলোনি, কলাবাগান কলোনি, নিউ কলোনি, ইঞ্জিনিয়ারিং কলোনি ট্রাফিক কলোনির ৪৭৮টি কোয়ার্টারের মধ্যে বর্তমানে ১১৯টি, নোয়াখালী লাইনের ১৪৪টির মধ্যে ২১টি লাকসাম-চাঁদপুর শাখা লাইনের শতাধিক কোয়ার্টার খালি অবস্থায় পড়ে রয়েছে রেলওয়ের সংকোচন নীতি, গোল্ডেন হ্যান্ডসেক, অবসর গ্রহণ অন্যান্য কারণে দিন দিন কোয়ার্টারগুলো খালি হচ্ছে খালি কোয়ার্টারগুলো বেদখল হয়ে পড়ায় বাংলাদেশ রেলওয়ে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে
বর্তমানে রেলওয়ের কানুনগো আবদুল হালিম উৎকোচের বিনিময়ে ভূমি বেদখলে লোকজনকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে এভাবে বর্তমান কানুনগো আবদুল হালিম মোটা অংকের টাকার মালিক হচ্ছেন এবং তার আগে কর্মরত থাকা এক কানুনগো (অবসর) রেলওয়ের ভূমির টাকায় কোটিপতি হয়েছেন রেলওয়ের কর্মচারীরা রেলওয়ের ভূমির মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার মালিক হলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে) কোন নজর নেই এমনকি পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি
বিষয়ে ওজন মাপার দায়িত্বরত জাকির হোসেন গতকাল প্রতিবেদককে জানান- জানুয়ারী মাসে তিনি কুমিল্লা রেলষ্টেশনে যোগদান করেছেন যোগদানের পূর্বে থেকেই মালামাল মাপার যন্ত্রটি নষ্ট ছিল তবে উর্ধ্বতন কর্তৃপরে নিকট বিষয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে এছাড়া অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেছেন তিনি জানান- নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী মেনেজমেন্টের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত কোন টাকাই আদায় করা হচ্ছে না এবং সব টাকাই খাতায় লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে এখানে কোন দুর্নীতি কিংবা অনিয়ম নেই লেবারের বিষয়ে তিনি বলেন-লিবার বিষয়টি আমাদের নয় তারা মূল অন্য একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ করে যাদের মালামাল তারাই তাদেরকে খরচ দিচ্ছে
কুমিল্লা রেলষ্টেশনের মাষ্টার মোহাম্মদ হোসেন মজুমদার গতকাল প্রতিবেদককে জানান- কুমিল্লা রেলষ্টেশনের ভবনের ভিতরের দায়িত্ব তাঁর বাহিরে দায়িত্ব অন্যদের রেলওয়ে সম্পত্তি দখলের বিষয়টি কানুনগো, পিডাব্লিউডি, আইডাব্লিউডি দেখাশোনা করেন ফ্যাট ফরমের দোকানগুলোতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়ে তিনি বলেন- রেলওয়ের আলাদা বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বে এগুলো আমাদের নয় কালোবাজারি টিকেটের বিষয়ে তিনি বলেন- আগে /৩টি কালোবাজারি হতো এখন হচ্ছে আগে পুরাতন ট্রেনগুলো চলাচলের কারণে টিকেট কালোবাজারি হয়েছে বর্তমানে কম্পিউটারাইজ হওয়ায় এখন আর কালোবাজারি টিকেট হচ্ছে না
কুমিল্লা রেল ষ্টেশনের দায়িত্বরত জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ি গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি ফলে কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি







লাকসাম মনোহরগঞ্জ নাঙ্গলকোটে ২৪ ঘণ্টার খবরের আপডেট পেতে আমাদের পেজটি লাইক করুন। পেজটি লাইক করতে এখানে ক্লিক করুন। আপনার একটি লাইকই আমাদের অনুপ্রেরণা। undefined