আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ডেসটিনির ডিষ্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে মামলা

মোঃ হাবিবুর রহমান খান: [শুক্রবার, ০৯ মার্চ ০১] লাকসাম পৌর শহরের শ্রীপুর গ্রামে ডেসটিনির ডিষ্ট্রিবিউটর কর্তৃক এক এতিম কিশোরীকে গণধর্ষনের ঘটনায় অবশেষে লাকসাম থানায় মামলা হয়েছে ওই কিশোরী বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে।..

ধর্ষিতার বর্ণনা মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি রাতে ডেসটিনি-২০০০ লিঃ এর ডিষ্ট্রিবিটর লাকসাম পৌরসভার শ্রীপুর এলাকার মৃত আবদুল বারেকের পুত্র মাইন উদ্দিন খাজা একই এলাকার অপর ডিষ্ট্রিবিউটর ওই কিশোরীকে মিটিংয়ের কথা বলে একই এলাকার ইসমাঈলের ছেলে ডেসটিনির পিএসডি হোল্ডার তাজুল ইসলামের বাসায় নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে তার মুখ বেঁধে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং আপত্তিকর অবস্থায় মোবাইলে ভিডিও করে। আটকে রেখে পাষবিক শারীরিক নির্যাতনের পর আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। টানা দুদিন আটকে থাকার পর কৌশলে পালিয়ে এসে নিরুপায় কিশোরী লোকলজ্জার ভয়কে উপেক্ষা করে তার মা এলাকার গন্যমান্য লোকজনকে বিষয়টি জানালে তারা তাকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে মার্চ লাকসাম থানার ওসির নিকট লিখিত অভিযোগ করলেও রহস্যজনক কারনে অভিযোগটি থানা পুলিশ গ্রহণ করেনি বলে দাবি এতিম ওই কিশোরীর
কিশোরী আরও জানায়, ‘তাজু এবং খাজা আমার সর্বনাশ করেছে। আমি সমাজের নিকট বিচার চাই। সব হারিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে লোকজনের কারণে তাও করতে পারিনি
বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিভিন্ন মহল উঠেপড়ে লেগেছে। নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে লুকোচুরির অন্যরকম খেলা। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য মোটা অংকের লেনদেনসহ বিভিন্ন ছক আঁকছেন। অপরদিকে, ওই কিশোরীর আপত্তিকর ছবি এলাকার যুব-কিশোরদের ব্লু-টুথের মাধ্যমে মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে ইন্টারনেটেও। ফলে ওই কিশোরী লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছে না। পরিস্থিতিতে স্থানীয় অভিভাবকমহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে
উল্লেখ্য, পিতৃহীন এতিম ওই কিশোরীর বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলবের সৈয়দপুরে। সে তার মা ভাইকে নিয়ে লাকসাম পৌরসভার শ্রীপুরে তাজুল ইসলামের পিতা ইসমাইল গার্ডের বাসায় ভাড়া থাকে।
ঘটনার পর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দেয়া হলেও পুলিশ তা গ্রহণ না করে ইভটিজিংয়ের ঘটনা সাজায়। পরে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ম্যাজিষ্ট্রেট শাহগীর আলমের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টে শুধুমাত্র খাজাকে হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে মাসের কারাদন্ড প্রদান করে। কিন্তু মূল হোতা তাজু রয়ে যায় অন্তরালে। শেষপর্যন্ত বাদীনী অনড় থাকায় লাকসাম থানা পুলিশ ধর্ষণ মামলা নিতে বাধ্য হয়
বিষয়ে অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি গত বৃহস্পতিবারই মিমাংসা হয়েছে। লাকসাম থানার ওসি মাঈন উদ্দিন খাঁন জানান, মামলার পর আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে


undefined