আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

নাঙ্গলকোটে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং, জনজীবন বিপর্যন্ত, ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস, ইরি-বোরো চাষাবাদ ব্যাহত হবার আশংকা

মাইনুদ্দিন দুলাল: [মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ০১২] নাঙ্গলকোটে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে নজিরবিহীন লোডশেডিংয়ে মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।..
নিয়মিত বিদ্যুত না থাকায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৩ ঘন্টাই এলাকাবাসীকে বিদ্যুতবিহীন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে রাতে কখনো থেকে ২ঘন্টা বিদ্যুত থাকলেও দিনের বেলা অধিকাংশ সময় বিদ্যুতের দেখা মিলেনা কখনো বিদ্যুতের দেখা মিললেও কিছুক্ষণ থাকার পর আবার চলে যাচ্ছে
বিদ্যুতের আসা-যাওয়াও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরক্তির উদ্রেক সৃষ্টি করেছে বিদ্যুতের অভাবে চলতি ইরি-বোরো ধানের জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে বলে কৃষকরা জানান বিভিন্ন স্থানে জমিতে পানি সেচ দিতে না পারায় ইরি-বোরো ধানের চারা শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মৎস্য প্রজেক্টগুলোতে পানি সেচ না দিতে না পারায় মাছ মরে যাচ্ছে এছাড়া, বিদ্যুত নির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম ধস নেমেছে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যবসায়ীদেরকে বিদ্যুতের জন্য অপেক্ষার প্রহর কাটাতে হচ্ছে বিশেষ করে রাইচ মিল, মিল, কম্পিউটার, ফটোষ্ট্যাট, স্টুডিও ব্যবসা বন্ধ হবার পথে রয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং ভুক্তভোগীদের অফিসিয়াল কাগজপত্র সহ বিভিন্ন বাজারগুলোতে এলাকাবাসীকে জরুরী কাগজপত্র ফটোকপি, কম্পোজ  করতে গিয়ে তীব্র ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সন্ধ্যার পর নিয়মিত বিদ্যুত না থাকায় নাঙ্গলকোট পৌর বাজার সহ ছোট-বড় বাজারগুলোতে ব্যাবসায়ীদের ভোগান্তি পোহাতে হয় একদিকে মাস শেষে বিদ্যুত বিল প্রদান আন্যদিকে প্রতিদিন ডিজেল চালিত জেনারেটরের বিল প্রদান করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের হিমসীম খেতে হচ্ছে বিদ্যুতের অভাবে বাসাবাড়িগুলোতে অবস্থানরত লোকজনেরও দুর্ভোগের শেষ নেই বিদ্যুত না থাকায় তাদেরকে তীব্র পানির সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে সন্ধ্যার পর বিদ্যুত না থাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে এদিকে, বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের সাথে বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজের কারণে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুত চালিত মোটর, টিভি, ফ্রিজ নষ্ট হবার খবর পাওয়া যাচ্ছে বর্তমানে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে চলতি ইরি-বেরো চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষকরা জানান বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং মানুষের মধ্যে প্রতিনিয়ত তীব্র ক্ষোভ দান বেঁধে উঠছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন নাঙ্গলকোট পল্লী বিদ্যুত সামিতি- ডিজিএম প্রকৌশলী মমিনুল ইসলাম জানান, কুমিল্লা জাংগালিয়া ৩৩ কেভি গ্রীড লাইন থেকে বাগমারা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ৩টি উপকেন্দ্রে ৩৬ মেঘাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে  নাঙ্গলকোটে পিক আওয়ার এবং অপ পিক আওয়ারে মোট চাহিদার মাত্র এক চর্তুয়াংশ পাওয়া যাচ্ছে বলে তিনি জানান  বিদ্যুতের পর্যাপ্ত বরাদ্ধ না পাওয়া গেলে কিছুই করার থাকে না বরাদ্ধ পাওয়া গেলে সরবরাহ বাড়ানো হবে তিনি আরো জানান, কুমিল্লা পি ডি বি অফিস অথবা আর বি অফিসে মিটিংএ আমাদের জি এম এর উপস্থিতিতে নাঙ্গলকোটে বিদ্যুতের বরাদ্ধ বাড়ানোর জন্য দাবী জানানো হবে তিনি জানান 



undefined