আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

মনোহরগঞ্জে ট্রেজারী অফিস নেই!প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ জনগনের দূর্ভোগ চরমে

শাহাজাদা এমরান: [মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ ০১২] মনোহরগঞ্জ উপজেলায় সোনালী ব্যাংকের শাখা স্থাপন হলেও ট্রেজারী অফিস না থাকায় প্রশাসনিক কর্মর্কতাসহ জনগনের দূর্ভোগের শেষ নেই..
এছাড়া সরকারী ১১২ টাকার বিদ্যুৎ বিল লাকসাম উপজেলায় গিয়ে জমা দিতে যাতয়াত খরচ লাগে ১২০ টাকা মনোহরগঞ্জ সোনালী ব্যাংকে সরকারী লেনদেনের কোন অনুমতি না থাকায় উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলার তিন লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে
 
২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারী উপজেলার প্রশাসনিক কাজের শুরু থেকে অবর্ননীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ফলে স্থানীয় জনগণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক কর্মকর্তা কর্মচারী জানান, আমরা চাকুরী করি মনোহরগঞ্জ উপজেলায়, কিন্তু মাস শেষে বেতন-ভাতাদি উঠাতে হয় ১২ কিঃ মিঃ দূরে লাকসাম উপজেলায় গিয়ে একই অভিযোগ বিভিন্ন সরকারী নিয়োগ পরীক্ষার ১০০/২০০ টাকার চালান পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ক্ষেত্রেও সোনালী ব্যাংক উদ্ভোধনের সাথে সাথে ট্রেজারী ফাংসন চালু হওয়ার কথা থাকলেও মনোহরগঞ্জের ক্ষেত্রে এটিই ব্যাতিক্রম শাখাটি চালু হওয়ার দেড় বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও সরকারী লেনদেন চালুর কোন লক্ষন দেখা যাচ্ছে না এতে করে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে যদি সোনালী ব্যাংকের এই শাখায় সরকারী লেনদের চালু না হয় সেক্ষেত্রে ব্যাংকটির ভবিষ্যত লেনদেনের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে অনেকেই ধারন করেন






বিজ্ঞাপন মুক্ত এ ব্লিগের প্রতিটি খবরে রয়েছে এক ঝাঁক মেধাবী তরুণের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ব্যাবহার। তাই আমাদের খবর আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাদেরকে উৎসাহিত করুন।
undefined