আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

পাইলট স্কুলে ধর্মঘটে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা



অফিসের সামনে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা
আবু পলাশ: [বুধবার,২১ মার্চ ২০১২] আজ সকাল ১০ টা দফতরি ঘন্টা বাজায় কিন্তু লাকসাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা ক্লাসে নয় মাঠে জড়ো হয়।এর পর স্কুলের সব কয়টি গেইট, দরজা, জানালা বন্ধ করে দেয় বিক্ষুব্ধ রূপ নেয় স্কুল শিক্ষার্থীরা।চারদিকে তখন একই ধ্বনি  “বিচার চাই বিচার চাই। কিন্তু কেন? এই আন্দোলন পাইলট স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষক কৃষ্ণ চন্দ্র  সরকার (এম.এ) বিরুদ্ধে। দশম ও নবম শ্রেণিতে ক্লাস নেয়ার সময় মুসলমান ধর্মের সৃষ্টিকর্তা মহান রাব্বুল আলামিনের নামে তিনি কটুক্তি করেন, বলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আমাদের লাকসামকে জানায়।..

পাইলট স্কুলের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি বলেন মুসলমান হিন্ধু ধর্মের সকল কাহিনী ভুয়া, মিথ্যা বানোয়াট মহানবী (সঃ) এর সকল কাহিনী বানোয়াট মক্কা হচ্ছে পাপিষ্ঠ এলাকা ওখানে গিয়েও মুসলমানরা পূজা করেএছাড়াও মহান আল্লাহ তাআলাকে নিয়ে আরো অনেক বাজে মন্তব্য করেন যা প্রকাশ করার মত নয় তার এই আচরন সকলের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে শিক্ষার্থীরা সবাই একত্রিত হয়ে গতকাল ২০ তারিখ মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষকের কাছে ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে দরখাস্থ পেশ করা হয়এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় নবম দশম শ্রেণির ছাত্ররা দশম শ্রেণির ছাত্র সানি বলেন যে, ওই শিক্ষকের কটুক্তি আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে আমরা এই শিক্ষকের বিচার চাই বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের শান্ত করার জন্য প্রধান শিক্ষকসহ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা চেষ্টা করেন প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান মোল্লা বলেন , এই বিষয়ে তদন্ত করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে
স্কুল গেইটের সামনে গেইট খুলে ভিতরে ঢুকার প্রচেষ্টায় বিক্ষুব্ধ জনতা
ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার তাঁর বিরুদ্ধে আণীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি নিঃসন্দেহে ষড়যন্ত্র বিদ্যালয়ের কতিপয় স্বার্থন্বেসী শিক্ষক তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিত ভাবে শিক্ষার্থীদের লেলিয়ে দিয়েছেন একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, এই ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে ক্ষমতাসীন দলের শতাধিক কর্মী বাহিনী বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে মহড়া দেয় এবং ভয় ভীতি প্রদর্শণ করে ফলে অভিভাবকরা ভয়ে চলে যেতে বাধ্য হয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য লাকসাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ তাবারক উল্লাহ কায়েস বলেন যে, এই ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য এই স্কুলের সম্মানহানি ঘটে। আইনের উর্ধ্বে কেউই নন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত করে ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তা শুনে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন না থামানোর কথা জানালে তিনি তাদের কাছ থেকে ৩ দিনের সময় নেন। তাতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা একটু শান্ত হয়। এরপর ওরা ক্লাসে ফিরে যায়।কিছুক্ষন পর সেখানে ইউএনও এসে হাজির হন। এখন দেখা যাক ৩ দিনের পর আগামী শনিবার কি সিদ্ধান্ত নেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা। সেদিকে তাকিয়ে আছে শিক্ষার্থীসহ লাকসামের বিক্ষুব্ধ জনতা।


এ সম্পর্কিত আরও খবর 


লাকসাম মনোহরগঞ্জ নাঙ্গলকোটে ২৪ ঘণ্টার খবরের আপডেট পেতে আমাদের পেজটি লাইক করুন। পেজটি লাইক করতে এখানে ক্লিক করুন। আপনার একটি লাইকই আমাদের অনুপ্রেরণা।
undefined