আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

মনোহরগঞ্জের ইউনিয়ন অফিসে হামলা ভাংচুর


ফয়সাল কবির: [মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ০১] মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর ইউনিয়ন পরিষদের অফিসে গতকাল সোমবার রাতে এক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে সময় সন্ত্রাসীরা অফিসের ভিতরে ব্যাপক ভাংচুর করে আসবাবপত্র ঘটনায় পুলিশসহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় জনতা আহত হয়
স্থানীয় পুলিশ সুত্রে জানা যায়, জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর গ্রামে গতকাল সোমবার রাতে সন্দেহ জনক ভাবে ঘুরাফেরা করায় চার যুবককে ডাকাত সন্দেহে আটক করে গনধোলাই দেয় স্থানীয় জনতা।..
খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে নিয়ে আসে সময় এলাকার একটি চিি‎‎হ্নত সন্ত্রাসী গ্রুপ ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে হামলা চালায় সময় তারা পরিষদে ব্যাপক ভাংচুর সহ লুটপাট করে জানা যায়, সরসপুর গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে আবুল কাশেম, জসিম উদ্দিন জুলমতের নেতৃত্ত্বে মোখলেছুর রহমানের ছেলে মোহন, ছেরাজুল হকের ছেলে ফরিদ হোসেন, হাছন আলীর ছেলে মোহম্মদ হোসেনসহ এক দল সন্ত্রাসী পরিষদে হামলা করে আসবাব পত্র ভাংচুর করে এবং লুটপাট চালায় এত প্রায় পরিষদের লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয় সময় তাদের বাধা দিলে পরিষদের সদস্য মাহফুজ, আব্দুল করিম, গ্রাম পুলিশ আব্দুল মতিন গুরুতর আহত হন খবর পেয়ে  থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে সন্ত্রাসীরা তাদের উপর হামলা করে সময় এস আই জসিম, মিজান, শওকত হোসেন আহত হন পরে পুলিশ ডাকাত সন্দেহে আটককৃত সিএনজি চালক সোনাইমুড়ির শাকতলা এলাকার ফুল মিয়া ছেলে বাবুল (৩৫), আমানউল্যার ছেলে মতিন (৩২) ইউসুফ আলীর ছেলে হাছান (২৮) আবু তাহেরের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৩২) কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং তিন জনকে গুরুতর আহত অবস্থা লাকসাম সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার বলেন, ঘটনার সময় আমি এলাকায় ছিলাম না, যারা ইউনিয়ন পরিষদে হামলা করেছে এরা সবাই আওয়ামীলীগের কর্মী তারা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী এদের অত্যাচারে এলাকার সাধারন মানুষ অতিষ্ট পরিষদে হামলার ব্যাপারে এলাকাবাসী বলেন চেয়ারম্যানের সাথে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বিরোধ চলে আসছে তাদের ইন্দনেই ডাকাত আটকের ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে হামলা হতে পারে তারা বলেন যারাই হামলা করেছে তাদের কঠিন শাস্তি হওয়া প্রয়োজন ঘটনায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে