আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

লাশ দাফনের আধা ঘন্টা পর মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ফিরে এলো

আবু পলাশ: [শুক্রবার,২৪ ফেব্রুয়ারি ০১] অবিশাস্য হলেও সত্য কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সদরে লাশ দাফনের আধা ঘন্টা পর মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছে ঘটনাটি ঘটেছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে টায় উপজেলা সদরের চন্দ্রখানা কলেজ রোড এলাকায় এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, চন্দ্রখানা গ্রামে খইমুদ্দিনের স্ত্রী ভীক্ষুক আলীজন বিবির (৯০) লাশ ২৩ ফেব্রুয়ারির সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের সোনাইকাজী ধরলা নদীর পাড়ে একটি বোরো ক্ষেতে ভাসমান অবস্থায় দেখে ওই গ্রামের আজিজার নামের এক জেলে তিনি মাছ মারতে লাশটি দেখতে পেয়ে আলীজনের বাড়ীতে খবর দেন..
খবর পেয়ে আলীজনের ছোট ছেলে আমিনুল নাতি রফিকুল সহ তার স্বজনরা লাশ আনতে যান তারা লাশটি আলীজনে সনাক্ত করে দুপুর ১টার  দিকে ধরলার পাড় থেকে বাড়ীতে নিয়ে আসেন স্বজনরা ভেবেছিল আলীজন বিবি তার অসুস্থ্য মেয়ের রোগ আরগ্যের জন্য ধরলার পানি আনতে গিয়ে ধরলা নদীতে পড়ে মারা গেছেন এই ধারনায় তারা আলী জনের নিশ্চিত মৃত্যু ভেবে বিকাল ৫টায় চন্দ্রখানা গ্রামে তার লাশ পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করেন লাশের জানাযা করেন চন্দ্রখানা কলেজ পাড়া জামে মসজিদের ঈমাম রফিকুল ইসলাম আলীজনের বড় ছেলে আজিজার রহমান,স্বজন মহুবর রহমান সহ আরও অনেকে জানান, লাশটি আলী জনের নিশ্চিত ভেবে আমরা দাফন করেছি
লাশটি দাফনের আধা ঘন্টা পর আলীজন বিবি রিক্সা যোগে তার বাড়ীতে আসলে আলীজনের ছেলে সন্তান স্বজনরাসহ গ্রামবাসী সবাই অবাক হয়ে যায়। আলীজনের জানাযায় শরীক হওয়া ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মইনুল হক জানান, ঘটনায় আমি নিজেই হতবাক হয়েছি।
ব্যাপারে আলীজন বিবি জানান, আমি ধরলা পাড়ে যাইনি। সকাল বেলা ভিক্ষা করতে করতে নাগেশ্বরী পর্যন্ত গেছি পথ দূর হওয়ায় বাড়ী আসতে আমার দেরি হয়েছে। ব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার ওসি আঃ মোনায়েম জানান, লাশটি হুবহু চেহারার অন্যকার ব্যক্তির হতে পারে। লাশের প্রকৃত ওয়ারিশ পাওয়া গেলে লাশটি উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে।   ঘটনায় ফুলবাড়ী উপজেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আলীজনের বাড়ীতে উৎসুক জনতার ভীড় পড়েছে