আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

বাসা বাড়িতে হোল্ডিং নাম্বার লাগিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে

বিশেষ সংবাদাতা: [সোমবার,২৭ ফেব্রুয়ারি ০১] কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামঅঞ্চলে বাড়ি বাড়ি হোল্ডিং নাম্বার লাগিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ’’ইউনিয়ন উন্নয়ন সংস্থা নামীয়’’ একটি  এনজিও কর্মীরা, গ্রামবসীদের  অভিযোগ।..
জানা যায়, কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নিকট গত এপ্রিল ২০১০ সালে ইউনিয়ন উন্নয়ন সংস্থা নামের এনজিও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল কবির সরকার রুবেল, সাধারন সম্পাদক সোহাগ একটি এনজিও (রেজি নংÑকু-১৮৯৭) ইউনিয়ন উন্নয়ন সংস্থা নামের প্রতিষ্ঠান বাড়ি বাড়ি হোল্ডিং নাম্বার লাগিয়ে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত আবেদন করেন উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মো: জামাল হোসাইন গত মে ২০১০ ইং ইউনিয়ন আইন অনুযায়ী ইউপি চেয়ারম্যানদেরকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রদান করেন এবং কোন প্রকার টাকা-পয়সা আদায়ের অনুমতি দেননি এই আবেদন দিয়ে অনুমতি ছাড়াই ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের সংগে গভীর সর্ম্পক করে সাধারন মানুষ থেকে প্লেট প্রতি নিম্নে ৫০ থেকে টাকা আদায় করে থাকেন যা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ আইনে নিয়ম বর্হিভুত এনজিও নামধারী কর্মীরা ইতিমধ্যে বরুড়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় সকল গ্রামের নাম্বার প্লেট লাগানোর কাজ শেষ করেন বর্তমান এনজিও দলটি ১৪ গ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে নাম্বার প্লেট লাগানোর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তাদের সমস্ত কার্যক্রমের অনুমতি নেই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার এলাকার এক শ্রেণীর বখাটে যুবকগণ এদের সাথে গভীর ভাবে জড়িত রয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বার শতকরা ২০ টাকা হারে ভাগ পেয়ে থাকে এমন অভিযোগ করেন অনেকই ফলে এলাকার সাধারন মানুষ বিষয়টি নিয়ে কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন উন্নয়ন সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল কবির সরকার রুবেল, তার সহযোগী সোহাগ, খসরু, আমিনুল, মোরশেদ, কায়েসসহ আরো অনেকেই পূর্বে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ফেনসিডিল, মদ, গাজা, হিরোইনসহ যাবতীয় নেশা দ্রব্য দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাচার এলাকায় বিক্রি করত তাদের এসব কর্মকান্ড দেখে গ্রাম অঞ্চলের সাধারণ মানষু আতংকে ভুগছেন তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ফলে জেলার মনোহরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে একটি সুত্র জানান অপরদিকে রুবেল গ্রফের বিরুদ্ধে চাদঁপুর জেলা সদর থানায় অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ফলে মামলা রুজু করে পুলিশ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি রয়েছে বলে সুত্র জানান তাদের গ্রামের বাড়ী জেলার মুরাদনগর ধানাধীন কোদালকাটা গ্রামে তারা ইউনিয়নের আইন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কোন অনুমতি ছাড়াই এসব কাজ শুরু করায় মহাবিপাকে পড়েছেন গ্রাম অঞ্চলের সাধারণ মানুষ এসব ধরনের কোন নতুন প্রকল্প করলে বিজ্ঞপ্তির মাধমে করে থাকে সরকার সরকারী সুত্র জানান