আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্স ছয় বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ


« আগের সংবাদ:[শুক্রবার,১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১] ছয় বছরেও শেষ হয়নি মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ তিন দফা মেয়াদ বাড়ানো হলেও নির্ধারিত সময়ে ওই কাজ সম্পন্ন হয়নি বর্তমানে স্থানীয় বাজারের একতলাবিশিষ্ট একটি ভবনেঅস্থায়ী কার্যালয়বানিয়ে চলছে বহির্বিভাগে রোগী দেখার কাজ..
তার ওপর গত নভেম্বর মাস থেকে সেখানে নেই উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কাগজে-কলমে ১৯ জন চিকিৎসক থাকলেও তাঁদের মধ্যে মাত্র সাতজন ওই কার্যালয়ে রোগী দেখতে যান হাসপাতালটির দাপ্তরিক কাজ চলে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবস্থায় উন্নয়নবঞ্চিত মনোহরগঞ্জ উপজেলার প্রায় তিন লাখ বাসিন্দা স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না
কুমিল্লার স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে সাত কোটি ১১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৫৫ টাকা ব্যয়ে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০৬ সালের আগস্ট রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এম এম এন্টারপ্রাইজ ওই কাজ পায়
এম এম এন্টারপ্রাইজের পক্ষে ঠিকাদার মো. ফরিদ আহমেদ গত বুধবার বিকেলে বলেন, ‘কার্যাদেশের পর জলাবদ্ধতার কারণে এক বছর কাজ বন্ধ ছিল তার ওপর হাসপাতাল এলাকাসংলগ্ন পুকুর নিয়ে মামলা থাকায় নির্মাণকাজ পিছিয়ে যায় পরবর্তী সময়ে কাজ শুরু করলে স্থানীয় সাংসদের অনুসারী কিছুসংখ্যক লোক মাটি ভরাটকাজে বাধা দেয় তারা আমাদের কাছে টাকা দাবি করে এলাকার হাসপাতাল হিসেবে তারা কেউ সহযোগিতা করেনি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাজ ফেলে আমরা চলে আসি
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেকান্দার আলী বলেন, ‘মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কার্যাদেশ বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে সেটার জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করতে হবে
কুমিল্লা- (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) আসনের সরকারদলীয় সাংসদ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালের কাজটি শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে আগের ঠিকাদার সময়মতো কাজ না করার কারণে নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালের কাজ শেষ হয়নি
মনোহরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়া, কবির হোসেন আবদুর রহমান বলেন, গুরুতর কোনো রোগীকে মনোহরগঞ্জে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যাচ্ছে না এখানে নিয়মিত সরকারি ডাক্তাররা থাকেন না তার ওপর হাসপাতালের কাজও শেষ হয়নি
মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া মাহমুদ বলেন, ‘হাসপাতাল কমপ্লেক্স যথাসময়ে নির্মাণকাজ না হওয়ায় রোগীরা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না বহির্বিভাগে রোগী দেখেই চিকিৎসকেরা চলে আসেন
জেলা সিভিল সার্জন মো. আবুল কালাম সিদ্দিক বলেন, ‘হাসপাতাল নির্মাণ না হওয়ার কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না ওই এলাকার বাসিন্দারা চিকিৎসকেরা অনেক কষ্ট করে সেখানে সেবা দিয়ে আসছেন চিকিৎসকেরা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে