আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

বৈরাগ্য পাড়ের ভূত!


সামিউর রহমান: [শুক্রবার,০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১] লাকসাম উপজেলার বেতিহাটি গ্রামে বৈরাগ্য পাড়ের অবস্থান জনশ্রুতি রয়েছে, এখানে এক সময় ভয়ঙ্কর সব ভূতের আবাসস্থল ছিল অঞ্চলের মায়েরা বৈরাগ্য পাড়ের ভূতের ভয় দেখিয়ে শিশুদের ঘুম পাড়ায় এখানে ভূতের ভয়ঙ্কর সব কাণ্ডকারখানা ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে চালু আছে বলে জানান স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিরা বৈরাগ্য পাড়ে বর্তমানে রয়েছে বটগাছের ভেতরে ৫০০ হাত লম্বা একটি তালগাছ গাছের পাশে বর্তমানে ঘরবাড়ি নির্মিত হয়েছে স্থানীয়রা জানান, এক সময় এখানে ঘন জঙ্গল ছিল দূর থেকে রাতে এখানে আগুন জ্বলতে দেখা যেত দিনে গাছের পাশ দিয়ে কেউ হেঁটে যেত না জনশ্রুতি রয়েছে, দিনে কখনো দেখা যেত মানুষ কিংবা গরু কেউ শূন্যে তুলে গাছের সঙ্গে আছাড় মারছে অথচ কে মারছে তাকে দেখা যাচ্ছে না কখনো দেখা যেত দুই পাশের দুটি তালগাছে ভূত পা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে..
আবার কখনো দেখা যেত বটগাছের সঙ্গে মানুষ বেঁধে রাখা হয়েছে এক সময় স্থানীয়রা মানত করা খাবার টাকা বৈরাগ্যের পাড়ের গাছ তলায় রেখে যেত বৈরাগ্য পাড়ের বাসিন্দা সেরাজুল হক বলেন, আমরা এখানে ২৫ বছর ধরে বাড়ি তৈরি করে থাকছি, কোনো সমস্যা হচ্ছে না, তবে এখানে এক সময় ভূতের উৎপাত ছিল বলে শুনেছি স্থানীয় চন্দনা গ্রামের বাসিন্দা ৭৬ বছর বয়সের ভাষাসৈনিক আবদুল জলিল বলেন, 'এখানে এক সময় সংসার বিবাগী একটি পরিবার বাস করত ওই সময় থেকে স্থানটির নাম হয়ে যায় বৈরাগ্য পাড়' কথিত আছে, এখানে রাতে আগুন দেখে দিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কামানের গোলা ছোড়া হয় গোলা উল্টো দিকে ছুটলে সৈনিকরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়

 undefined