আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

নির্মাণের ৬বছরেও সেবায় আসেনি নাঙ্গলকোট হাসপাতাল

জয়নাল আবদিন:[বৃহ:স্পতিবার,০২ ফেব্রুয়ারি ২০১] প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার গোহারুয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের বছরেও হাসপাতালটি জনগণের নুন্যতম কোনো কাজে আসছেনা ডাক্তার নার্স এবং নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায় হাসপাতাল আঙ্গিনা এখন গো-চারণ ভূমি।..
লতা পাতায় ঢেকে যাচ্ছে হাসপাতালের ৯টি ছোট বড় ভবন প্রহরী না থাকায় হাসপাতালের জিনিসপত্র চুরি হয়ে যাচ্ছে
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৭ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয় নাঙ্গলকোট উপজেলার গোহারুয়ায় ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। উদ্বোধনের পর সেখানে প্রথম কয়েকদিন ডাক্তার বসলেও সেখানে পরে হাসপাতাল পাহারা দেয়ার লোকজনও ছিলো না
পাশ্ববর্তী আশির পাড় গ্রামের মোশারফ হোসেন জানান, চিকিৎসা সেবা না খাকায় হাসপাতালটি এখন পোড়ো বাড়িতে রূপ নিয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে জোড্ডা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পেতো।
জোড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান আলী আক্কাস বলেন, গোহারুয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে উপজেলা জেলা পর্যায়ে অনেকবার আবেদন করে কোনো লাভ হয়নি। হাসপাতাল চালু করার জন্য জোড্ডা ইউনিয়নের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে
নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.লিয়াকত আলী জানান, বকেয়া বিলের জন্য বিদ্যুত লাইন কেটে দেয়া হয়েছে। থাকার জায়গা নেই, নেই বিদ্যুত পানি। নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায় হাসপাতালের অনেক জিনিস পত্র চুরি হয়ে গেছে। এখানে ওষুধ বরাদ্দ নেই। অন্য খাতের কিছু ওষুধ দিয়ে জন স্টাফ সপ্তাহের তিন দিন আউট ডোর সেবা দিচ্ছে। শুনেছি আগামী মাসে আরো বড় পরিসরে আউট ডোর চালুর জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম সিদ্দিক বলেন, জনবল সংকটের কারণে আমরা হাসপাতালটি চালু করতে পারছি না। জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে
undefined