আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

মনোহরগঞ্জে এক যুগেও উন্নয়ন হয়নি কমলপুর আল-ফালাহ এবতেদায়ী মাদরাসার


হোসেন মনির:[বুধবার,০১ ফেব্রুয়ারি ২০১] কমলপুর আল-ফালাহ এবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার এক যুগ পেরিয়ে গেলেও কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি মাদ্রাসাটিতে।..
জানা যায় উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের কমলপুর আল ফালাহ এবতেদায়ী মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন কমলপুর গ্রামের নুরুল্লাহ মিয়া, ডাঃ নুরুল হুদা, আলহাজ্ব মাওঃ নুরুল আমিন আলহাজ্ব মাওঃ নুর মোহাম্মদ ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটি এলাকার শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। হাসনাবাদ ইউনিয়নের এক মাত্র স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা হলেও এখানে হয়নি সরকারী কোন উন্নয়ন। তিনজন শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত মাদ্রাসায় বর্তমানে ছাত্রসংখ্যা ৬০ জন। ৪র্থ শ্রেণী পর্যন্ত চালু হলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন না থাকার ফলে ৫ম শ্রেণী চালু করা যাচ্ছে না
টিন দিয়ে ঘেরা মাদ্রাসাটিতে শিক্ষকদের আলাদা কোন অফিস নেই। ছাত্রছাত্রীদের পাঠদানের জন্য যে ক্লাস রুমগুলো ভাংগাচুরা বাঁশের বেড়াগুলোও ভাংগাচুরা, জন শিক্ষকের বেতন দিচ্ছেন পরিচালনা কমিটি
ব্যাপারে মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি নুরুল্লাহ মিয়া জানান, এলাকার অসহায় গরিব লোকদের ছেলে মেয়েদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করি। প্রথমে মাদ্রাসাটি নুরানী দিয়ে শুরু করে বর্তমানে তিন বছর হল এবতেদায়ী ক্লাস চালু করি। বর্তমানে মাদ্রাসায় ৬০ জন ছাত্রছাত্রী পড়া লেখা করে আসছে। তিনি বলেন, হাসনাবাদ ইউনিয়নে সরকারি বেসরকারি ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও ছিল না কোন স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা। অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তাদের ছেলে মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়া লেখা করাতে পারতেন না। ফলে এলাকায় ধর্মীয় শিক্ষার হার কমে যায়। সেসব চিন্তা থেকেই ৯৮ সালে নুরানি দিয়ে মাদ্রাসাটি শুরু করি। এর পর এবতেদায়ী শিক্ষার অভাব কিছুটা পূরণের জন্য মাদ্রাসাটিকে এবতেদায়ী পর্যায়ে উন্নিত করি। পর্যন্ত আমরা সরকারি বা বেসরকারি কোন সহযোগিতা নেইনি
undefined