আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

মনোহরগঞ্জে বিয়ের দাবীতে ছেলের বোনের বাড়ীতে মেয়ের অবস্থান


ফরহাদ খান বাবুঃ [মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি ২০১] শাহরাস্তি উপজেলার পানচাইল গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে চিতোষী আর.এম উচ্চ বিদ্যালযের দশম শ্রেনীর ছাত্রী মমতাজ আক্তার মণি (১৮), বিয়ের দাবীতে প্রেমিক মোঃ জহির উদ্দিন (২৫) এর বোনের বাড়ী মনোহরগঞ্জে উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের কাজী বাড়ীতে অবস্থান..
নেয়
জানা যায় মনোহরগঞ্জে উপজেলার জিনারাগ গ্রামের ব্যাপারী বাড়ীর মাষ্টার আইয়ূব আলীর ছেলে মোঃ জহির উদ্দিন এর সাথে (দুই) বছর আগে সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি জহির উদ্দিন মমতাজ কে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে যায়। এর মধ্যে দুজনের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে
গত ৫ই জানুয়ারী জহির উদ্দিন মমতাজকে বিয়ের কথা বলে চাটখিলে একটি আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করে। সেখানে থেকে দুপুর বেলায় মমতাজকে নিয়ে জহির উদ্দিনের এক মামাতো ভাইকে নিয়ে রামগঞ্জে যায়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় তাকে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, এবং জহির উদ্দিনের বোনের বাড়ী নোয়াগাও গ্রামে আসতে বলে। মমতাজ পরদিন সকাল বেলা জহির উদ্দিনের বোনের বাড়ী গিয়ে অবস্থান করে
সংবাদ জহির উদ্দিন পেয়ে সে পালিয়ে যায়। ব্যাপারে মমতাজের সঙ্গে কথা বললে সে জানায়, জহিদের বাড়ীতে তার জেঠা বিয়ে করে সে শুবাদে তার সাথে পরিচয় এবং মন দেয়া নেয়ার সম্পর্ক। জহির বিয়ে করবে বলে প্রায়ই তার সাথে চাটখিল হোটেলে নিয়ে শারিরীক মেলামেশা করত। গত ৫ই জানুয়ারী জহির উদ্দিন তাকে বিয়ে করবে বলে আসতে বলে। তখন আমি নগদ ১০ হাজার টাকা, ১ভরি ওজনের সোনার চেইন,মোবাইল সেট সহ তার সাথে তার বাড়ীর পাশে আলীনকিপুরে দেখা করি তখন সে আমাকে চাটখিল একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে আমরা দুজন শারীরিক ভাবে মিলিত হই এবং সে আমার কাছ থেকে নগদ টাকা,গহনা মোবাইল সেট নিয়ে যায়। সে থেকে ঘুরিয়ে আমাকে তার বোনের বাড়ীতে যেতে বলে। সেখানে সে আমাকে বিয়ে করবে
মমতাজ আরো জানায় জহির বিয়ের কথা বলে আমার যে সর্বনাশ করেছে আমি তাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত বাড়ী থেকে যাব না। প্রয়োজনে আমি আইনের আশ্রয় নেব। ব্যাপারে জহিরের বোনের সাথে কথা বললে তিনি তাদের সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেন তবে মমতাজ বাড়ীতে আসার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না এবং জহির তাকে কিছুই বলেনি
যেহেতু মমতাজ এখানে চলে আসছে সেহেতু একটা সমাধান হবে। ব্যাপারে জহিরকে না পাওয়াতে তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার এক আত্মীয় বলেন তাদের সম্পর্ক ছিল এটা সত্য কিন্তু বাড়ীতে এনে মমতাজকে বিয়ে করবে বলে মমতাজ যে বক্তব্য দিয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যে। স্থানীয় ইউ.পি সদস্য ইমাম হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমরা এর সমাধানের চেষ্টা করছি।