আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

লাকসামে এক্সিম ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! পালিয়ে গেছে ব্যাংক কর্মকর্তা, দিনভর তদন্ত


[শুক্রবার, ০৬ জানুয়ারি ২০১] এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক লাকসাম শাখার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রাহকের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে টাকা আত্মসাতের ঘটনার তদন্তে গতকাল বৃহসপতিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) অডিট ইনচার্জ নেছার আহমেদের নেতৃত্বে ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত দল লাকসাম এসেছেন তদন্ত দল দিনভর ব্যাংকের শতশত গ্রাহকের হিসাব নিরিড়্গণ কাজ করছেন এখনও নিরিড়্গণ..
কাজ চলছে  এক্সিম ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, পলাতক ওই কর্মকর্তার নাম মোঃ খায়রুল ইসলাম তিনি ব্যাংকের লাকসাম শাখার নির্বাহী কর্মকর্তা (এক্সিকিউটিভ অফিসার) বিনিয়োগ (লোন) ইনচার্জ ছিলেন তাঁর বাড়ি জামালপুর জেলার বক্সিগঞ্জ উপজেলার ধরারচর গ্রামে গত বুধবার বেলা .৩০ মিনিটের সময় তিনি ব্যাংক থেকে পালিয়ে যান পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন ( নম্বর ০১৭৪৮-৯৫০৬০১ ০১৯২১-৪৭৫৯৮৩) বন্ধ রয়েছে  একটি সূত্র জানায়, পৌর এলাকার ফতেপুরের এলাহী অটো রাইস মিলের মালিক মকবুল আহমমদ মজুমদার ব্যাংকে তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে সি সি লোন রয়েছে ওই সিসি লোন সংক্রান্ত লেনদেনের হিসাব যাঁচাই করতে ওইদিন দুপুরে মিলের ব্যবস্থাপক ব্যাংকে যান ওই সময় লেনদেনের হিসাব যাঁচাই করতে গিয়ে প্রায় ৫০ লড়্গাধিক টাকার গড়মিল ধরা পড়ে এই ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল ইসলাম পালিয়ে যান  ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জানান, ওই কর্মকর্তা পালিয়ে যাওয়ার পর তাৎক্ষনিক ব্যাংকের হিসাব-নিকাশ যাচাই করা হয় এতে প্রাথমিক ভাবে ৫০ লাখ টাকার গড়মিল পাওয়া গেছে ঘটনায় তিনি লাকসাম থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করেছেন লাকসাম থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) সহকারী উপ-পরিদর্শক (এসএসআই) মো. গিয়াস উদ্দিন জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এদিকে গ্রাহকের অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা পালিয়ে গেছে এমন সংবাদ শোনার পর বহু গ্রাহক ব্যাংকে এসে ভিড় করেন তাঁরা তাঁদের লেনদেনের খোঁজ খবর জানতে চান এতে ব্যাংকে কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের নানা ঝামেলা পোহাতে হয়  ব্যাংকের একাধিক গ্রাহক জানান, ঘটনার পর তাঁরা ব্যাংকে এসে তাঁদের লেনদেনের প্রতিবেদন চাইলে ব্যাংেকর ব্যবস্থাপক ঝামেলার অজুহাতে তাঁদের ওই প্রতিবেদন দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন ব্যাংকের গ্রাহক এলাহী অটো রাইস মিলের মালিক মকবুল আহমমদ মজুমদার জানান, তাঁর ব্যাংক হিসাবেও ৫০ লড়্গাধিক টাকার গড়মিল রয়েছে ব্যাপারে অডিট চলছে অডিট শেষে প্রকৃত হিসাব পাওয়া যাবে  এক্সিম ব্যাংক লাকসাম শাখার ব্যবস্থাপক খাজা আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক ভাবে ৫০ লাখ টাকার গড়মিল পাওয়া গেছে ব্যাপারে লাকসাম থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে ব্যবস্থাপক আরও জানান, টাকা আত্মসাতের ঘটনার তদন্তে গতকাল বৃহসপতিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) অডিট ইনচার্জ নেছার আহমেদের নেতৃত্বে ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত দল এসেছেন তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত গড়মিলের হিসাব পাওয়া যাবে