আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহন; লাকসাম সহ কুমিল্লার বিভিন্ন পয়েন্টে চলছে পুলিশের বাণিজ্য

জয়নাল আবদিন: [রোববার,২২ জানুয়ারি ২০১] ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রাক থেকে পুলিশ বাড়তি অর্থ আদায় করছে। সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।..আর সুযোগে এক শ্রেনীর পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট এবং হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তা দেদারছে টু-পাইস কামিয়ে নিচ্ছে। বাড়তি ওজনের পরিবহন গুলোর চলাচল বন্ধ না করে প্রতিদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর সেতু, মেঘনা সেতু, দাউদকান্দি গোমতী সেতু, দাউদকান্দি বাজার, গৌরীপুর বাজার, ইলিয়টগঞ্জ বাজার, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ক্যান্টমেন্ট, আলেখারচর, পদুয়ার বাজার, সুয়াগাজী, মিয়া বাজার, চৌদ্দগ্রাম, জগন্নাথ দীঘিসহ কুমিল্লা-সিলেট সড়ক, কুমিল্লা-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা-চাঁদপুরসহ প্রায় ২০টি পয়েন্টেসহ বিভিন্ন চেকপয়েন্টে পুলিশ অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক আটক করার ১৫/২০ মিনিট পর ৫শথেকে হাজার টাকার পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়। দাউদকান্দি, ইলিয়টগঞ্জ, আমতলী, মিয়া বাজার হাইওয়ে পুঁলিশসহ চান্দিনা, সদর দণি, চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, বরুড়া থানা পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রাম, কুমিল্লা-চাঁদপুর-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের পণ্যবাহি পরিবহন আটকে হয়রানি করছে। এদিকে যেসব পরিবহনে বাড়তি মালামাল নেই সে সকল পরিবহনেও বেশী মালামাল রয়েছে বলে আটক রেখে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। যে সব পরিবহন পুলিশের চাহিদামত অর্থ প্রদান করছে তাদের ছেড়ে দেয়া হচ্ছে

যারা ঘুষ দিতে অনিহা প্রকাশ করে তাদের আটকে রাখা হয়। পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডেসরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় লাইন ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে শতাধিক ট্রাক। এসব ট্রাকের কাগজপত্র বাড়তি ওজনের অজুহাতে দায়িত্বরত পুলিশ নিয়ে গেছে। এসব ট্রাক কাভার্ডভ্যানের ড্রাইভার হেলপার ধর্ণা দিচ্ছে তা ছাড়িয়ে নিতে। পুলিশ চাহিদামাফিক ঘুষ দিলেই পরিবহনের কাগজপত্র ফেরৎ দেয়া হলে স্থান ত্যাগ করছে ওসব ভাড়ি পন্যবহনকারী পরিবহনগুলো। এসব পয়েন্টে ঘুষ পেলেই পুলিশ অবৈধকে বৈধ বলে ছেড়ে দিচ্ছে। আর যারা ঘুষ দিচ্ছে না তাদের আটকে হয়রানী করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্যাপারে ইপিজেডসহ বিভিন্ন ট্রাকের ড্রাইভারদের অভিযোগ- ট্রাকে অতিরিক্ত মাল না থাকলেও নানা অজুহাতে তার গাড়ির কাগজ কেঁড়ে নেয়া হয়। পরে শত টাকায় তিনি পরিবহনসহ ছাড়া পান। ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ড্রাইভার বলেন- তার কাছ থেকে কাগজপত্র কেঁড়ে নিয়ে আটকে রাখে। তিনি টন ধারন মতার পরিবহনে ২২ টন মালামাল আনলেও হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে তিনি পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পান। আর প্রতিনিয়তই ২টি মহাসড়কের ১১ পয়েন্টে পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য চলছে। আর এসব পয়েন্টে সহস্রাধিক গাড়ি আটকে প্রায় ২০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন হচ্ছে
undefined