আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

কুমিল্লাওয়েব প্রতিনিধি ও সবুজপত্র পত্রিকার প্রধান সম্পাদকের উপর সন্ত্রাসী হামলার নেপথ্যে


জামাল উদ্দিন স্বপন

[শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১১] নাঙ্গলকোটে সবুজপত্র পত্রিকার প্রধান সম্পাদক জামাল উদ্দিন স্বপনের উপর সন্ত্রাসী হামলার নেপথ্য কারণ হিসেবে জানা যায়, সবুজপত্র পত্রিকায় নাঙ্গলকোটের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশিত হওয়াই হামলার মূল কারণ এছাড়া স্বপন ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক হাজারিকা প্রতিদিনের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি দায়িত্বে থাকায় লাকসাম নাঙ্গলকোট নিয়ে প্রায়ই তার পাঠানো সংবাদ প্রকাশিত হয় সম্প্রতি নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের বিশেষ ..
ভাবে প্রমোশন পাওয়া সকল পরীক্ষায় তৃতীয় শ্রেণীতে কোনভাবে উত্তীর্ন সাদেক প্রফেসার কলেজের অধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার আগে তার বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা এবং পরকীয়া প্রেম ফাঁস হলে তা দৈনিক হাজারিকা প্রতিদিন সবুজপত্রে প্রকাশিত হয় তখন থেকেই বহুল আলোচিত সমালোচিত বিতর্কিত সাদেক প্রফেসার স্বপনের পিছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে থাকে গত কিছুদিন আগেও যুবলীগের সভাপতি চিহিৃত সন্ত্রাসী কোদালীয়া বাহিনীর ১১ ভাইয়ের একভাই মূর্খ্য আবদুল মালেক থানার সামনেই স্বপনের নিকট্ থেকে অনেক গুলো পত্রিকা ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং তাকে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে সে সময় স্বপন কুমিল্লা পুলিশ সুপার সহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে লিখিত ভাবে অবহিত করে কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় সন্ত্রাসীরা আশকারা পেয়ে যায় সাদেক প্রফেসার বিশেষ করে যে সংবাদের জন্য ক্ষেপে যায় তাহল বেতাগাঁও গ্রামের রৌশনারার সাথে পরকীয়া ফাঁস আত্মতহ্যা থেকে রক্ষা এবং নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রেকেন্দ্র আছে পরীক্ষার্থী নাইশিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে মূলত ক্ষেপে যায় সুযোগ খুঁজতে থাকে স্বপনকে আক্রমনের অবশেষে সুযোগ মিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানউদ্দিন কে দিয়ে। ইউ এন রেহান উদ্দিন স্বপনের উপর ক্ষিপ্ত আছে। রেহান উদ্দিন যোগ দেয়ার পর থেকে আজান দিয়ে ঘুষ খাওয়া শুরু করলে তার দুর্নীতি অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে কয়েক পর্বে সংবাদ প্রকাশিত হলে তিনি বিভিন্ন জনের প্রশ্নের সম্মুখীন হন এবং স্থানীয় সাংসদ লোটাস কামালের নিকট মৌখিক অভিযোগ দেন। ঠান্ডা মাথায় সময় অতিবাহিত করে গত ১৮ তারিখে অর্থাৎ ঘটনারদিন পুরোন একখানা বিজ্ঞাপনের বিল দেয়ার কথা বলে স্বপনকে নাঙ্গলকোট ইউ এন অফিসে হাজির করান। রেহান সকল ব্যবস্থা ঠিক করে তিনি স্বামী হারা নাঙ্গলকোট উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আক্তার মুন্নীর বাসায় সস্ত্রীক দাওয়াত খেতে যান। মুন্নী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম এমরানুর রহমান জীবনের স্ত্রী। জীবনের মৃত্যু নিয়ে নানামুখী আলোচনা থাকলেও পরবর্তীতে এনিয়ে কেউ আর ঘাটাঘাটি করেনি। সরকার উপজেলা চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যানদের তেমন ক্ষমতা দেয় নাই বলে রেহান উদ্দিন ভাইস চেয়ারম্যানদের কিছু করতে পারে নাই। নচেৎ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুন্নীর প্রতি তার যথেষ্ঠ সফট কর্নার ছিলো
স্বপন বিজ্ঞাপনের বিলের জন্য গিয়ে যখন সাদেকের ক্যাডার মালেককে ইউ এন অফিসে বসে থাকতে দেখেই তার সন্দেহ হয়। তখনই তাড়াহুড়ো করে বিল নিয়ে চলে আসার পথে মোবাইলে সন্ত্রাসীদের জানিয়ে দিলে সুজন হোটেলের সামনে সি এন জি উঠে লাকসাম চলে যাবে ঠিক সে মূহূর্তে জাফর শাহীনের নের্তৃত্বে / জন সশস্ত্র যুবক রড, ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ী পিঠাতে থাকলে স্বপন দিগি¦দিদ হয়ে সুজন হোটেলে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। সেখানেও তাকে হত্যা করার জন্য সন্ত্রাসীদের আনাগোনা দেখলে হাসপাতাল ত্যাগ করে লাকসাম সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়
সন্ত্রাসীদের কবল থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করার পরও থানা পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। সরকার দলীয় অনেক নেতা প্রভাব খাটিয়ে থানার দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মফজল খানকে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ (?) করে। স্বপনের মামলা নথিভূক্ত করার তিনঘন্টা পর চিহিৃত সন্ত্রাসী বিভিন্ন সময় অনেক মেয়াদে জেলখাটা জাফর কে দিয়ে একটি সাজানো মিথ্যা মামলা দায়ের করে সে মামলাও নথিভূক্ত করে এফ আই আর করে। মামলার বিবরনে উল্লেখ করে সৌদি আরব যাওয়ার জন্য স্বপনকে তিন লক্ষ টাকা প্রদান করে। এখন টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয় এতে জাফর জখম হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করে। হায়রে………..পু-লি- ? সাবেক ওসি নজরুল কর্তৃক পুলিশের হারানো ভাবমূর্তি উদ্ধারের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রশাসন) বাবু প্রশান্ত পাল প্রাণপন চেষ্টা অব্যাহত থাকার ফাঁকে একদিনের অনুপস্থিতিতে মফজল খান নজরুলের পথ অনুসরন শুরু করেছে যাহা ভাবতে অবাক লাগে। দুজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মধ্যে একজন পুলিশের নক্ষত্র অন্যজন হতে যাচ্ছেন পুলিশের কলংক। শুধু সাদেক প্রফেসারের মনরক্ষা করতে মফজল খান কলংকের তিল মাথায় পরলেন সত্যিই সেলুকাস (!) হল কিছু পুলিশের ধর্ম
বর্তমানে স্বপন জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। সন্ত্রসীরা প্রতিনিয়ত তাকে তার পরিবার কে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে এবং মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। স্বপন আশংকা ব্যক্ত করে বলেন নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ সঠিক তদন্ত না করে সন্ত্রাসীদের পক্ষে অবস্থান নিবেন এতে আমি ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হব। তাই তিনি তার মামলা ডি বি কর্তৃক তদন্তের দাবী জানানকুমিল্লা ওয়েব