আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

১২ বছরের ছেলের সাথে ২৫ বছর যুবতীর বিয়ে


[শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১১] হায়রে কলির যুগ! হায়রে মানুষ!! লোক কাহিনী খ্যাত আশির দশকের সেই রহিম বাদশা রূপবানের পূনরাবৃত্তি ঘটেছে নাঙ্গঁলকোট পৌরসভার অন্তর্গত নাওগোদা গ্রামে জানা গেছে..
গত ২৪ নভেম্বর রোববার মধ্যরাতে নাওগোদা গ্রামের মাঈন উদ্দিন হোরা মিয়ার স্কুল পড়ুয়া ১২ বৎসরের কিশোর তাজুল ইসলামের সাথে পার্শ্ববতী শকুন্তলা গ্রামের আলমের মেয়ে রেখা আক্তারের বিয়ে দেয় বিয়ের কাজ অত্যন্ত সন্তর্পনে সেরে ফেলা হয় যৌতুক হিসাবে মেয়ের পক্ষ ছেলের পক্ষকে ৪০ হাজার টাকা দেয় গ্রামের অনেকের বাধাকে উপেক্ষা করে ছেলে পক্ষের একটি কুচক্রী মহল ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা যায় ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে লোক মুখে মুখরোচক আলোচনা শুরু হয়ে যায় ডিসেম্বর ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায়, ছেলের পঞ্চাশ উর্ধ্ব বয়সের দুলাভাই হামিদ মিঞা একটি অপরাধ চক্র সেন্ডিকেট সৃষ্টি করে এলাকার দরিদ্র অসহায় পরিবারের অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে এবং মেয়েদের দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে বহুদিন ধরে ধরনের অপরাধ চালিয়ে আসছে সে নিজেও প্রথম স্ত্রী বর্তমান থাকা সত্বেও তার অনুমতি ছাড়াই মাস পূর্বে ১৫ বছরের অপ্রাপ্ত মেয়েকে বিয়ে করে


এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেছে রেখা আক্তারের সাথে হামিদ মিঞা তার সাঙ্গ পাঙ্গদের দীর্ঘদিনের লাম্পট্য সম্পর্ক চলে আসছিল মূলত সামাজিক স্বীকৃতি দিতেই তার অপ্রাপ্ত বয়সের শ্যালক ১২ বৎসরের কিশোর তাজুল ইসলামকে বিয়ে করানো হয়েছে হামিদ মিঞা গ্রামের আরো অনেক কিশোর ছেলে মেয়েকে বিয়ে করানোর জন্য উৎসাহিত করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে শুধু তাহাই নয়, হামিদ মিঞা তার চক্রটি বহুদিন যাবৎ এলাকায় তাদের অধিপত্য বিন্তার করে মদ, জুয়া, গাজা, নানাবিধ অসামাজিক কার্য্যকলাপ করে আসছে তাতে সমাজ কুলশিত হচ্ছে কিন্তু হামিদ বাহিনী চক্র কাউকে তোয়াক্কা করে না এলাকার নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, তাদের পিছনে একটি অশুভ শক্তি রয়েছে তাকে প্রতিনিয়ত একটি মাসোয়ারা দিতে হয় সেই অশুভ মিডিয়া ব্যক্তি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে থাকেন তাই হামিদ চক্র কাউকে পরোয়া করে না তারা যতই অন্যায়, অসামাজিক কাজ করুক উপরি মহলের সহযোগিতার কারনে নাওগোদা এলাকাবাসী তাদের নিকট জিন্মি
বিয়ের ব্যাপারে ছেলের বাবাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ছেলের বয়স ২২ বৎসর আমাদের কাছে জন্ম সনদ আছে


ব্যাপারে পৌরমেয়র সামছুদ্দিন কালুর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সনদ পত্রটি আমার সময়ে হয়নি অভিযোগ রয়েছে, একটি চক্র ধরনের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েদের বিয়ে পূর্বের তারিখ বেশী বয়স উল্ল্যেখ করে পৌর সভার জন্ম সনদ পত্র চড়া মূল্যে বিক্রি করে আসছে স্থানীয় পৌর কমিশনার তোফায়েল আহম্মদ ঘটনা সম্পর্কে বলেন, ধরনের অনৈতিক কাজে যারা সহযোগিতা করে তাদের শাস্তি হওয়া উচিৎ ব্যাপারে এলাকাবাসী প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছেন