আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

 গৃহবধূর ওপর নির্যাতন : মনোহরগঞ্জে প্রতিবাদকারী কৃষককে পিটিয়ে হত্যা!

[শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১১] মনোহরগঞ্জে স্বামী শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের হাত থেকে গৃহবধূর জীবন বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিতে হয়েছে কৃষক মো. নুরুল ইসলামকে ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল..
শুক্রবার উপজেলার খিলা ইউনিয়নের.. দাঁড়াচৌ গ্রামে তাঁর বাড়ি একই ইউনিয়নের তাহেরপুর গ্রামে
পুুলিশ নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর ফেনুয়া গ্রামের কামাল উদ্দিনের মেয়ে সামছুন্নাহারের (২২) সঙ্গে দুই বছর আগে একই উপজেলার খিলা ইউনিয়নের দাঁড়াচৌ গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে খোকন মিয়ার বিয়ে হয় বিয়ের সময় ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা থাকলেও ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন গৃহবধূর বাবা বকেয়া ২০ হাজার টাকা পরে পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু ওই টাকা দিতে না পারায় গৃহবধূ সামছুন্নাহারের ওপর নেমে আসে শারীরিক মানসিক নির্যাতন
এলাকাবাসী জানান, দাঁড়াচৌ গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে খোকন মিয়া তাঁর পরিবারের লোকজন গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই গৃহবধূকে বাপের বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে চাপ দেন গৃহবধূ যৌতুকের টাকা পরিশোধে দরিদ্র বাবার সামর্থ্য নেই বলে অপারগতা জানান এতে স্বামী শ্বশুরবাড়ির লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে সামছুন্নাহারকে মারধর শুরু করে কৃষক নুরুল ইসলাম সময় ওই বাড়ির পাশে খেতে কাজ করছিলেন চিৎকার শুনে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে প্রতিবাদ জানান এতে গৃহবধূর স্বামী শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তাঁর বাগিবতণ্ডা হয় একপর্যায়ে তাঁরা ওই কৃষককে বেধড়ক পিটিয়ে এবং কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ফেলে রাখে পরে এলাকাবাসী তাঁর স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে লাকসাম এবং পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা নেওয়ার প্রস্তুতিকালে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তিনি মারা যান
মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দিন খোন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে গেছেন