আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

লাকসামে সম্পতি থেকে বঞ্চিত করতে পাগল সাজিয়ে ৮ বছর ঘরে অবরোদ্ব


[সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১১] লাকসামে সম্পতি থেকে বঞ্চিত করতে পাগল সাজিয়ে বছর ঘরে অবরোদ্ব করে রাখার খবর পাত্তয়া যায় উপজেলার ৪নং গোবিন্দপুর ইউপির পলকোট গ্রামের ডাঃ আবুল কালামের প্রথম পুত্র ফারুক হোসেন মানিককে পরিবারের লোকজন পিতার সম্পতি থেকে বঞ্চিত করতে পাগল সাজিয়ে বছর ঘরে অবরোদ্ব করে শারিরিক মানুষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে ছোট ভাই শাহিন আলম মা ফজিলতেরনেছা সহ পুেরাপরিবার তাকে হাতে পায়ে শিকল দিয়ে বেধেঁ রাখে ফারুক হোসেন মানিক ১৯৯৭ সালে এস এস সি পাস করেন লাকসাম .. সরকারী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাস করার আগেই তার উপর নেমে আসে শারিরিক মানুসিক নির্যাতন প্রথম তাকে ঠেঙ্গার বাম গ্রামের সাজেদা আক্তার সাজু কে বিয়ে করানো হয় বিয়ের দেড় বছরের মাথায় এক..
কন্যা সন্তান জম্মে নেয় সন্তানের এক বছরের মাথায় সাজেদা আক্তারকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করার কারনে কোলের মেয়ে সন্তানটিকে রেখে চলে যেতে হয় শাহিন আলম তার মা মিলে মানিককে আবার পাশ্ববর্তী রামপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে জাহানার আক্তারকে ৩০ শতক জমি তার নামে রেজেষ্ট্রি করে দিবে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২য় বিয়ে করান বিয়ের পরে পুত্র বধুকে কোন সন্তান না নেয়ার জন্য বারন করেন তার শশুর এবং শাশুড়ী বিয়ের দেড় বছর এর মাথায় জাহানারা কোলে একটি ছেলে সন্তান জম্ম নেয়, এর পর থেকে বিভিন্ন কৌশলে তার পর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় দেড় বছরের মাথায় ছেলে সন্তানটি মারা গেলে পুনরায় আর একটি ছেলে সন্তান জম্ম হয় ২য় সন্তানটি জম্মের পর শাশুড়ী দেবর শাহিনের নির্যাতনের ইস্টিম রোলার শুরু হয় মানিককে পিতার সম্পতি থেকে বঞ্চিত করতে তার স্ত্রী সন্তানদের উপর পরিকল্পিত নির্যাতন চালাতো বলে মানিক জানায় সর জমিনে গিয়ে দেখা যায় মানিকের হাতে পায়ে শিকল পরা অবস্থায় বেধে রাখে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মানিক জানায় আমাকে মেরে ফেলার জন্য হাতে পায়ে শিকল বেধে বিভিন্ন সময় শারিরিক মানসিক নির্যাতন, খাদ্যে বিষ প্রয়োগ, আমার সামনে আমার স্ত্রী সন্তানদেরকে মারদোর সহ বিভিন্ন নির্যাতন চালাতো আমার বউ ছেলেকে আমার কাছে এনে দিন আমি এক নজর দেখবো, আমি বি.এন. পি করি, আমার ভাই আওয়ামী লীগ করে এজন্য আমাকে সম্পতি থেকে বঞ্চিত করার জন্য পাগল সাজিয়ে আমার হাতে পায়ে শিকল পরিয়ে পাগল সাজিয়ে আমার এবং আমার স্ত্রী সন্তানদের উপর অমানুসিক নির্যাতন চালাচ্ছে আমার ভাই মা বোনেরা আমার বাবা হাজী সাহেব আমার বিষয়ের কিছু বললে তাকেত্ত ওরা নির্যাতন করে, তিনি মুখ খোলতে পারেন না আমাকে আপনারা বাচাঁন, আমার বউ ছেলেকে এনে দেন বলে হাউ মাউ করে কেদেঁ উঠে তার ভাই শাহিন আলম কে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় আমার ভাই অনেক আগ থেকে পাগল তাই তাকে আমরা শিকল দিয়ে বেধে রাখি বড় ভাইয়ের বউয়ের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে ভাবি তার পিতার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছে প্রথম ভাবি সর্ম্পকে জিজ্ঞাসা করা হরে সে জানায় ভাই পাগল হত্তয়ার কারনে প্রথম ভাবি চলে যায় এসব বিষয়ে মানিকের ২য় স্ত্রী জাহানারা বেগমকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে জানায় আমার স্বামী সন্তান আমাকে সম্পতি থেকে বঞ্চিত করতে আমার স্বামীর হাতে পায়ে শিকল দিয়ে বেধে পাগল সাজিয়ে শারিরিক মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল আমি স্বামী এবং আমার অধিকারের জন্য এলাকায় বহু বার শালিস দরবার দিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে উত্তরদা ইউপির চেয়ারম্যান আদালতের অভিযোগ দায়ের করেছি আমি আমার এবং আমার স্বামীর অধিকারের জন্য সাংবাদিক, মানবাদিকার সহ আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থার সহযোগিতা চাই মানিকের স্ত্রীর অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানি মজুমদার জানান অভিযোগ কারীদেরকে একাদিক বার নোটিশ করেও ইউপি আদালতে হাজির করানো যায়নি স্থানীয় গোবিন্দপুর ইউপির চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন ভুঁইয়াকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমি লোক মুখে মানিকের নির্যাতনের বিষয় শুনেছি যদি সত্য হয় তাহলে তাকে উদ্ধারের জন্য সকল আইননাগুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে