আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন ...

নাঙ্গলকোটে সাংবাদিকদের উপর হামলা হুমকি অব্যহত!!!


[শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১১] নাঙ্গলকোটে উপজেলার দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি আবদুল কাদের কে ২৬ ডিসেম্বর রাত ১১:১৮ মিনিটে মোবাইল নং- ০১৭৬০-৯০৮৮২২ থেকে ০১৭১৬-২৩১৪১৫ ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ হত্যার হুমকি প্রদর্শন করে সাপ্তাহিক সবুজপত্র পত্রিকার প্রধান সম্পাদক জামাল উদ্দিন..
স্বপনের উপর সন্ত্রাসী হামলার নেপথ্য কারণ হিসেবে জানা যায়, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক হাজারিকা সাপ্তাহিক সবুজপত্র পত্রিকায় নাঙ্গলকোটের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশিত হওয়াই হামলার মূল কারণ উপজেলার হাসান মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের বিশেষ ভাবে প্রমোশন পাওয়া সকল পরীক্ষায় তৃতীয় শ্রেণীতে কোনভাবে উত্তীর্ন হওয়া প্রফেসার সাদেক হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার আগে তার বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা এবং পরকীয়া প্রেম ফাঁস হলে তা দৈনিক হাজারিকা প্রতিদিন সবুজপত্রে প্রকাশিত হয়
তখন থেকেই বহুল আলোচিত সমালোচিত বিতর্কিত সাদেক প্রফেসার স্বপনের পিছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে থাকে গত কিছুদিন আগেও যুবলীগের সভাপতি চিহিৃত সন্ত্রাসী কোদালীয়া বাহিনীর ১১ ভাইয়ের একভাই মূর্খ্য আবদুল মালেক থানার সামনেই স্বপনের নিকট্ থেকে অনেক গুলো পত্রিকা ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং তাকে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে সে সময় স্বপন কুমিল্লা পুলিশ সুপার সহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে লিখিত ভাবে অবহিত করে কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় সন্ত্রাসীরা আশকারা পেয়ে যায় সাদেক প্রফেসার বিশেষ করে যে সংবাদের জন্য ক্ষেপে যায় তাহল বেতাগাঁও গ্রামের রৌশনারার সাথে পরকীয়া ফাঁস আত্মতহ্যা থেকে রক্ষা এবং নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রেকেন্দ্র আছে পরীক্ষার্থী নাইশিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে মূলত ক্ষেপে যায় সুযোগ খুঁজতে থাকে স্বপনকে আক্রমনের
অবশেষে সুযোগ মিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানউদ্দিন কে দিয়ে ইউ এন রেহান উদ্দিন জামাল উদ্দিন স্বপনের উপর ক্ষিপ্ত আছে রেহান উদ্দিন যোগ দেয়ার পর থেকে আজান দিয়ে ঘুষ খাওয়া শুরু করলে তার দুর্নীতি অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে কয়েক পর্বে সংবাদ প্রকাশিত হলে তিনি বিভিন্ন জনের প্রশ্নের সম্মুখীন হন এবং স্থানীয় সাংসদ লোটাস কামালের নিকট মৌখিক অভিযোগ দেন ঠান্ডা মাথায় সময় অতিবাহিত করে গত ১৮ তারিখে অর্থাৎ ঘটনারদিন পুরোন একখানা বিজ্ঞাপনের বিল দেয়ার কথা বলে স্বপনকে নাঙ্গলকোট ইউ এন অফিসে হাজির করান রেহান সকল ব্যবস্থা ঠিক করে তিনি স্বামী হারা নাঙ্গলকোট উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আক্তার মুন্নীর বাসায় সস্ত্রীক দাওয়াত খেতে যান মুন্নী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম এমরানুর রহমান জীবনের স্ত্রী জীবনের মৃত্যু নিয়ে নানামুখী আলোচনা থাকলেও পরবর্তীতে এনিয়ে কেউ আর ঘাটাঘাটি করেনি সরকার উপজেলা চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যানদের তেমন ক্ষমতা দেয় নাই বলে রেহান উদ্দিন ভাইস চেয়ারম্যানদের কিছু করতে পারে নাই নচেৎ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুন্নীর প্রতি তার যথেষ্ঠ সফট কর্নার ছিলো
স্বপন বিজ্ঞাপনের বিলের জন্য গিয়ে যখন সাদেকের ক্যাডার মালেককে ইউ এন অফিসে বসে থাকতে দেখেই তার সন্দেহ হয় তখনই তাড়াহুড়ো করে বিল নিয়ে চলে আসার পথে মোবাইলে সন্ত্রাসীদের জানিয়ে দিলে সুজন হোটেলের সামনে সি এন জি তে উঠে লাকসাম চলে যাবে ঠিক সে মূহূর্তে জাফর শাহীনের নের্তৃত্বে / জন সশস্ত্র যুবক রড, ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ী পিঠাতে থাকলে স্বপন দিগি¦দিগ হয়ে সুজন হোটেলে আশ্রয় নেয় সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে সেখানেও তাকে হত্যা করার জন্য সন্ত্রাসীদের আনাগোনা দেখলে হাসপাতাল ত্যাগ করে লাকসাম সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয় পরে জামাল উদ্দিন স্বপন বাদি হয়ে থানা মামলা করে এদিকে দৈনিক যু যুগান্তর প্রতিনিধি আবদুল কাদের বাদি হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় জিডি (জিডি নং- ৫১০) করেন